শুক্রবার | অক্টোবর ১৬, ২০২৬
প্রচ্ছদ সারাদেশ ভাটিখাইনকে মাদক ও কিশোর গ্যাং মুক্ত মডেল ইউনিয়ন বানাতে চান তরুণ নেতা সোহেল সওদাগর

ভাটিখাইনকে মাদক ও কিশোর গ্যাং মুক্ত মডেল ইউনিয়ন বানাতে চান তরুণ নেতা সোহেল সওদাগর

পটিয়া (চট্টগ্রাম) থেকে সেলিম চৌধুরী : চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ভাটিখাইন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে মাঠে-ময়দানে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও তরুণ রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ সোহেল সওদাগর। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তরুণ দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ভাটিখাইন ইউনিয়ন বিএনপির এই নিবেদিতপ্রাণ নেতা দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে সক্রিয় রয়েছেন।দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে দলের প্রতি অনুগত ও অগ্রণী ভূমিকা রাখায় এবার দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে তিনি শতভাগ আশাবাদী। একই সাথে তৃণমূলের জনগণের সাথে নিবিড় সামাজিক যোগাযোগ ও নিয়মিত গণসংযোগের মাধ্যমে ইতিমধ্যে এলাকায় নিজের শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছেন এই তরুণ নেতা।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের শাসনামলে যখনই রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া হয়েছে, তখনই রাজপথে বুক চিতিয়ে লড়াই করেছেন সোহেল সওদাগর। রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মাঝেও তিনি এলাকায় বিভিন্ন মসজিদ, মন্দির ও মাজারে ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে কাজ করেছেন। এছাড়াও দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন এবং বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় তিনি নিয়মিত মিলাদ মাহফিল ও দোয়ার আয়োজন করে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের চাঙ্গা রেখেছেন।

রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সমাজসেবায় অনন্য অবদান রেখে চলেছেন মো. সোহেল সওদাগর। বিশেষ করে করোনাকালীন চরম সংকটের সময়ে নিজের জীবন বাজি রেখে ভাটিখাইন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। সে সময় প্রত্যন্ত অঞ্চলে মাস্ক, স্যানিটাইজার ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন। এছাড়া এলাকার বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত আর্থিক অনুদান এবং গরীব, অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মেয়েদের বিয়েতে আর্থিক সহযোগিতা করে এলাকায় একজন ‘মানবতাবাদী নেতা’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।

চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ সোহেল সওদাগর জানান, জনগণের অধিকার আদায় এবং দলের স্বার্থে আমি দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে লড়াই করে আসছি। দল ও জনগণের স্বার্থ রক্ষায় আমি আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে আজীবন ভাটিখাইনবাসীর সেবা করতে চাই। নির্বাচিত হলে আমি ভাটিখাইন ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও ডিজিটাল ‘মডেল ইউনিয়ন’ হিসেবে গড়ে তুলব। অবহেলিত রাস্তাঘাটের টেকসই উন্নয়ন এবং হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করে ইউনিয়ন পরিষদের প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে আমি বদ্ধপরিকর। এছাড়া বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কারের ‘৩১ দফা’ বাস্তবায়নে আমি তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করে যাব।তার নির্বাচনী মূল অঙ্গীকারগুলোর মধ্যে রয়েছে:
মাদক ও ইয়াবা মুক্ত সমাজ: তরুণ সমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে ইউনিয়ন থেকে মাদক ও ইয়াবা ব্যবসা সম্পূর্ণ নির্মূল করা। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং কিশোরদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে কার্যকর ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া।

ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের জন্য দ্রুত, স্বচ্ছ ও আধুনিক নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার ঘোষণা দেন তিনি। এলাকার সাধারণ মানুষের মতে, সোহেল সওদাগর একজন পরিচ্ছন্ন ও তরুণ জননেতা হিসেবে ইতোমধ্যেই সর্বস্তরের মানুষের মন জয় করেছেন। মাদক ও কিশোর গ্যাং মুক্ত সুশৃঙ্খল ইউনিয়ন গঠন এবং করোনাকালীন ও সাধারণ সময়ে তার মানবিক কর্মকাণ্ডের কারণে সাধারণ ভোটারদের মাঝে তাকে নিয়ে ব্যাপক সাড়া জেগেছে। দল ও জনগণের সমর্থন নিয়ে তিনি বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন বলে ভাটিখাইন ইউনিয়নের সাধারণ জনগণ আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তার মা ভাটিখাইন ইউনিয়ন তিনবার সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার ছিলেন। মানুষের সুখে দুঃখে পাশে থেকেছেন। সোহেল সওদাগর ব্যাক্তিগত টাকা খরচ করে দলের জন্য ত্যাগ শ্রম মেধা দিয়ে ভাটিখাইন ইউনিয়ন তার ব্যাক্তিগত ইমেজ গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছেন, তিনি সকলের দোয়া ও আশীর্বাদ কামনা করেন। বিষয়টি বিএনপি জেলা উপজেলা, কেন্দ্রীয় হাইকমান্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

সোস্যাল মিডিয়াতে দৈনিক জনতা