বুধবার | অক্টোবর ২১, ২০২৬
প্রচ্ছদ সারাদেশ চৌগাছায় মাধবপুরের দুর্গাপ্রতিমার নান্দনিক সৌন্দর্য, শ্রেষ্ঠ প্রতিমার স্বীকৃতি চান গ্রামবাসী

চৌগাছায় মাধবপুরের দুর্গাপ্রতিমার নান্দনিক সৌন্দর্য, শ্রেষ্ঠ প্রতিমার স্বীকৃতি চান গ্রামবাসী

শ্যামল দত্ত, চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের চৌগাছা উপজেলার স্বরূপদাহ ইউনিয়নের মাধবপুর শ্রীশ্রী কালীমন্দিরের দুর্গাপ্রতিমা ও পূজামণ্ডপের অপরূপ সৌন্দর্য মুগ্ধ করছে দর্শনার্থীদের। প্রতিমার নিখুঁত কারুকার্য, দৃষ্টিনন্দন সাজসজ্জা ও নান্দনিক পরিবেশে ফুটে উঠেছে শারদীয় দুর্গোৎসবের অনন্য আবহ। প্রতিমার সৌন্দর্য দেখতে প্রতিদিন উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ছুটে আসছেন অসংখ্য দর্শনার্থী। তাঁদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠছে পূজামণ্ডপ প্রাঙ্গণ। স্থানীয় গ্রামবাসীর দাবি, সৌন্দর্য ও কারুকার্যের বিবেচনায় মাধবপুরের দুর্গাপ্রতিমা উপজেলার শ্রেষ্ঠ প্রতিমা হওয়ার যোগ্য।

বুধবার (২১ অক্টোবর) মাধবপুর শ্রীশ্রী কালীমন্দিরের শারদীয় দুর্গাপূজা মণ্ডপে দেখা যায়, প্রতিমার কারুকার্য ও মণ্ডপের আকর্ষণীয় সাজসজ্জা দর্শনার্থীদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করছে। প্রতিমার সৌন্দর্য উপভোগ করতে নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষের ভিড় জমছে মণ্ডপে।

মাধবপুর সর্বজনীন দুর্গামন্দিরের সভাপতি উত্তম কুমার হালদার বলেন, মাধবপুরের শ্রীশ্রী কালীমন্দির ও দুর্গামন্দির প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী মন্দির। যুগ যুগ ধরে এখানে শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্‌যাপন করা হচ্ছে। প্রতিবছরই প্রতিমার কারুকার্য ও মণ্ডপের সাজসজ্জায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। প্রতিমা ও মণ্ডপের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়। কিন্তু দুঃখের বিষয়, এত আয়োজনের পরও উপজেলার শ্রেষ্ঠ দুর্গাপ্রতিমার পুরস্কার অন্য মণ্ডপে চলে যায়। তাই এবার নিরপেক্ষভাবে প্রতিমার সৌন্দর্য, কারুকার্য ও মণ্ডপের সাজসজ্জা যাচাই করে প্রকৃত যোগ্য মণ্ডপকে পুরস্কৃত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

মাধবপুর সর্বজনীন দুর্গাপূজা মণ্ডপের সাধারণ সম্পাদক রণজিৎ কুমার হালদার বলেন, প্রতিবছরের মতো এবারও প্রতিমার কারুকার্য ও মণ্ডপের সাজসজ্জায় নান্দনিকতার ছাপ রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রতিমার সৌন্দর্য দেখতে দর্শনার্থীদের ব্যাপক সমাগম হচ্ছে। আমাদের প্রত্যাশা, এবার প্রতিমা ও মণ্ডপের সৌন্দর্যের যথাযথ মূল্যায়ন করে মাধবপুরকে শ্রেষ্ঠ দুর্গাপ্রতিমার পুরস্কার দেওয়া হবে। এটি আমাদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা।

উপজেলা পূজা উদ্‌যাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক গোবিন্দ কুমার রায় বলেন, মাধবপুরের দুর্গাপ্রতিমা ও মণ্ডপের সাজসজ্জায় সৌন্দর্যের চমৎকার সমন্বয় ঘটেছে। প্রতিমার কারুকার্য ও মণ্ডপের নান্দনিকতা বিবেচনায় নিয়ে মাধবপুরের পূজামণ্ডপকে শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার দেওয়া উচিত।

স্থানীয় গ্রামবাসীর প্রত্যাশা, প্রতিমার সৌন্দর্য, কারুকার্য ও মণ্ডপের সাজসজ্জার নিরপেক্ষ মূল্যায়নের মাধ্যমে এবার মাধবপুরের দুর্গাপ্রতিমা শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি পাবে।

সোস্যাল মিডিয়াতে দৈনিক জনতা