স্টাফ রিপোর্টার: গত ১২/১০/২০২৬ খ্রি. তারিখে ওমান থেকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। উক্ত ফ্লাইটে আসা তিনজন যাত্রী-জনাব মোহাম্মদ হাসান, জনাব সাদিক রহমান ও মো. রাকিবের তিনটি লাগেজ চুরির বিষয়টি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা জনাব ফজলে রাব্বি মোঘলের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এয়ারপোর্ট (১৩) এপিবিএনের নজরে আসে। পরবর্তীতে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ওমান থেকে আগত উক্ত ফ্লাইটের যাত্রী জসিমকে চুরির ঘটনায় জড়িত সন্দেহে শনাক্ত করা হয়। এ ঘটনায় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা জনাব ফজলে রাব্বি মোঘল বাদী হয়ে শনাক্তকৃত যাত্রী জসিমের বিরুদ্ধে গত ২০/১০/২০২৬ খ্রি. তারিখে বিমানবন্দর থানায় দণ্ডবিধির ৩৮০ ধারায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, চুরি হওয়া তিনটি লাগেজে আনুমানিক ৭৫,০০০/- (পঁচাত্তর হাজার) টাকার মালামাল ছিল।
পরবর্তীতে এয়ারপোর্ট (১৩) এপিবিএন বিমানবন্দর থানা ও কচুয়া থানার সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয়ের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করে চাঁদপুরের কচুয়া থেকে মামলার আসামি জসিমকে গ্রেফতার এবং চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। বর্তমানে মামলার আসামি জসিম পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।
এ বিষয়ে এয়ারপোর্ট (১৩) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের পুলিশ সুপার (অপারেশন্স) মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খান বলেন, “বিমানবন্দর এলাকায় চুরিসহ অন্যান্য অপরাধ দমনে এয়ারপোর্ট এপিবিএন সর্বদা তৎপর এবং সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে। যেকোনো ধরনের অপতৎপরতা প্রতিরোধে এয়ারপোর্ট এপিবিএন বদ্ধপরিকর। বিমানবন্দরকে ব্যবহার করে সংঘটিত অপরাধ, জনহয়রানিমূলক কর্মকাণ্ড, চুরি ও চোরাচালান প্রতিরোধে আমাদের অভিযান ও কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”
১৫
