মোহাম্মদ কামরুজ্জামান জুয়েল,কুলাউড়া মৌলভীবাজার : মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার সাহিত্য ও সাংবাদিকতা অঙ্গনের পরিচিত মুখ লেখক, কবি ও সাংবাদিক চয়ন জামানের নবম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে তাঁকে স্মরণ করেছেন পরিবারের সদস্য, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। তাঁর কর্মময় জীবন, সৃজনশীলতা ও স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়।
২০১৬ সালের ২১ অক্টোবর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান চয়ন জামান। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৩৭ বছর।
চয়ন জামান দৈনিক যুগভেরীর নিজস্ব প্রতিবেদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি কবিতা, লেখালেখি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে তাঁর আগ্রহ ছিল। এসব কাজের মধ্য দিয়ে তিনি স্থানীয় সাহিত্য ও সাংবাদিকতা অঙ্গনে পরিচিত হয়ে ওঠেন।
তাঁর বড় ভাই লেখক, কবি ও রাজনীতিবিদ শরীফুজ্জামান চৌধুরী তপন ছোট ভাইয়ের স্মৃতিচারণ করে বলেন, চয়ন তাঁদের পরিবারের আনন্দ ও ভালোবাসার অংশ ছিলেন। তাঁর লেখালেখি, কবিতা ও সাংবাদিকতার প্রতি গভীর আগ্রহ ছিল। তাঁর চলে যাওয়ার শূন্যতা আজও অনুভব করেন তাঁরা।
টিম জার্নালিস্ট’সের উপদেষ্টা এম. মুক্তাদির হোসেন বলেন, চয়ন জামান ছিলেন প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ সাংবাদিক, লেখক ও কবি। অল্প বয়সেই তিনি নিজের কাজের মাধ্যমে পরিচিতি অর্জন করেছিলেন। তাঁর অকালমৃত্যু সাহিত্য ও সাংবাদিকতা অঙ্গনের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।
দৈনিক জনতা কুলাউড়া প্রতিনিধি মোহাম্মদ কামরুজ্জামান জুয়েল বলেন, চয়ন জামানের মৃত্যুতে কুলাউড়াবাসী একজন সম্ভাবনাময় লেখক, স্ক্রিপ্ট রাইটার ও কবিকে হারিয়েছিল। তাঁর বহুমুখী প্রতিভা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ড স্থানীয় সাহিত্য ও সাংবাদিকতা অঙ্গনে যে শূন্যতা তৈরি করেছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মৃত্যুর পর চয়ন জামানের মরদেহ কুলাউড়া উপজেলার জয়চণ্ডী ইউনিয়নের ঘাটকিয়া গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হয়। জানাজা শেষে পারিবারিকভাবে তাঁকে দাফন করা হয়।
নবম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর স্বজন, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা প্রয়াত এই লেখক ও সাংবাদিকের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
