বৃহস্পতিবার | সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
প্রচ্ছদ সারাদেশ ভূরুঙ্গামারীতে ১৪৩ পিস ইয়াবা ও হেরোইনসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

ভূরুঙ্গামারীতে ১৪৩ পিস ইয়াবা ও হেরোইনসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

মোখলেছুর রহমান,।ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশের বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযানে ১৪৩ পিস ইয়াবা ও এক গ্রাম হেরোইনসহ মোঃ ইকবাল জাহিদী মিজু (৩৮) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাঁর সহযোগী হিসেবে পরিচিত মোঃ নুর আলম (৩৫) নামের আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাতে উপজেলার তিলাই ইউনিয়নের কালাচান মোড় সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তার মিজু পশ্চিম ছাট গোপালপুর গ্রামের মোঃ শরিফুল ইসলাম জাহিদীর ছেলে। অপর গ্রেপ্তার ব্যক্তি নুর আলম কামাত আঙ্গারিয়া গ্রামের মোঃ জালালউদ্দিনের ছেলে।

ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুনের নেতৃত্বে ভূরুঙ্গামারী থানার এসআই আল-আমিন, এএসআই সোহাগ রানা ও এএসআই আসাদুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত একটি মাদকবিরোধী দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কালাচান মোড় এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে নুর আলমের বসতবাড়ি থেকে মিজু ও নুর আলমকে আটক করা হয়। পুলিশের দাবি, এ সময় তাঁরা মাদক সেবন করছিলেন এবং তাঁদের কাছ থেকে ১৪৩ পিস ভারতীয় ইয়াবা ও এক গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তারের সময় মিজু পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন এবং পুলিশ সদস্যদের ওপর আক্রমণ করেন। এতে পুলিশের দুই সদস্য সামান্য আহত হন। পরে পুলিশ সদস্যরা তাঁকে ও তাঁর সহযোগী নুর আলমকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন।

পুলিশের জানায় জব্দ করা ইয়াবা ও হেরোইনের আনুমানিক অবৈধ বাজারমূল্য প্রায় ৬০ হাজার টাকা।
ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, “মিজু ভূরুঙ্গামারী উপজেলার একজন কুখ্যাত মাদক কারবারি হিসেবে পুলিশের কাছে পরিচিত। তাঁর মাধ্যমে উপজেলার উঠতি বয়সী কিশোর-কিশোরীদের কাছেও মাদক পৌঁছানোর অভিযোগ রয়েছে। তাঁকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। আশা করছি, এই গ্রেপ্তারের ফলে এলাকায় মাদক নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।”তিনি আরও জানান,মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

সোস্যাল মিডিয়াতে দৈনিক জনতা