এন.এম হামিদী বাবু, নীলফামারীঃ নীলফামারীর ডোমারে ট্রেনে কাটা দ্বি-খন্ডিত লাশের পরিচয় মিলেছে তিনি ৪৫তম বিসিএসে কৃষি ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত মীর তানভীর আহমেদ (২৯)।
সন্ধ্যায় সৈয়দপুর রেলওয়ে থানায় গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন নিহতের বড় ভাই মীর সফিকুল ইসলাম।
নিহত তানভীর আহমেদ মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার কাদিরপুর ইউনিয়নের ডিগ্রির চর গ্রামের মো. বজলুর রশিদের ছেলে। তিনি পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ গম ও ভুট্টা গবেষণা কেন্দ্রে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১৭ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে টিলাহাটি থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে তানভীর নিহত হন। এসময় তার মাথা ও বডি আলাদা হয়ে যায়। জানাযায়, সঙ্গে নিহতের দ্বি-খন্ডিত বডি পেলেও প্রায় ১২ ঘন্টা পর নিহতের দ্বি-খন্ডিত মাথা খুঁজে পায় পুলিশ।
এটি দূর্ঘটনা না হত্যা এনিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন মন্তব্য দেখা যাচ্ছে।
ডোমার উপজেলা শহরের অদূরে শিমুলতলী এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। খবর পেয়ে সৈয়দপুর রেলওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। স্থানীয়রা নিহতকে শনাক্ত করতে না পারায় পরে সিআইডি ও পিবিআইয়ের সহযোগিতায় তাঁর পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
নিহতের বড় ভাই মীর সফিকুল ইসলাম বলেন, তানভীর ৪৫তম বিসিএসে কৃষি ক্যাডারে উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। চাকরিতে যোগদানের অপেক্ষায় ছিলেন তিনি। বিসিএস ক্যাডার হয়ে দেশের জন্য কাজ করার অনেক স্বপ্ন ছিল তাঁর।
তিনি আরও বলেন, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে দিনাজপুরের গম ও ভুট্টা গবেষণা কেন্দ্রে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন তানভীর। চলতি বছরের জুনে তাঁকে পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ গম ও ভুট্টা গবেষণা কেন্দ্রে বদলি করা হয়।
