শনিবার | সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
প্রচ্ছদ সারাদেশ মহেশখালীতে অবৈধ তেল বিক্রয় কেন্দ্রে অভিযান, ৬ প্রতিষ্ঠান সিলগালা

মহেশখালীতে অবৈধ তেল বিক্রয় কেন্দ্রে অভিযান, ৬ প্রতিষ্ঠান সিলগালা

➡️ তেল সংকটের মধ্যেও অবৈধভাবে তেল বিক্রি
➡️ লাইসেন্সবিহীন জ্বালানি তেল বিক্রি
➡️ দুই প্রতিষ্ঠানকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা
➡️ ছয়টি প্রতিষ্ঠান সিলগালা

রিয়াজ উদ্দিন |কক্সবাজার :  দেশে জ্বালানি তেলের সংকটের মধ্যে মহেশখালীতে লাইসেন্সবিহীনভাবে তেল বিক্রি, অবৈধ মজুত ও অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রির অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

এ সময় ছয়টি অবৈধ তেল বিক্রয় প্রতিষ্ঠান সিলগালা এবং দুই প্রতিষ্ঠানকে মোট ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের তাজিয়াকাটা ও ঘটিভাঙ্গা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন সদ্য যোগদানকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুবায়েত আহমদ।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, তাজিয়াকাটা ও ঘটিভাঙ্গা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে পাঁচটি লাইসেন্সবিহীন ভাসমান তেল বিক্রয়কেন্দ্র ও একটি দোকানে অবৈধভাবে জ্বালানি তেল বিক্রি ও মজুত করা হচ্ছিল। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে প্রশাসন।

অভিযানকালে কার্যক্রম চালু অবস্থায় পাওয়া মেসার্স ওসাম ট্রেডার্সকে লাইসেন্সবিহীন তেল বিক্রি, অবৈধ মজুত ও অতিরিক্ত মূল্যে তেল বিক্রির অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এবং পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬-এর আওতায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অন্য পাঁচটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। এর মধ্যে রাসেল এন্ড কোম্পানি-এর মালিক উপস্থিত থাকায় তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

বাকি প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিক ও কর্মচারীরা অভিযানের খবর পেয়ে আত্মগোপন করায় প্রতিষ্ঠানগুলো সিলগালা করে দেয় প্রশাসন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা উপজেলা প্রশাসনের এ অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন।

তাদের অভিযোগ, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রভাবশালী কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে লাইসেন্স ছাড়াই তেল বিক্রি ও মজুত করে আসছে। এতে একদিকে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে, অন্যদিকে জ্বালানি তেল অবৈধভাবে বাইরে পাচারের আশঙ্কাও রয়েছে।
তারা অবৈধ তেল বিক্রি ও মজুতের বিরুদ্ধে পুরো উপজেলায় আরও ব্যাপক অভিযান চালানোর দাবি জানিয়েছেন।
মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান মাহমুদ ডালিম বলেন, “দ্বীপে কোনো অবৈধ কার্যক্রমের ঠাঁই হবে না। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

সোস্যাল মিডিয়াতে দৈনিক জনতা