বৃহস্পতিবার | সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
প্রচ্ছদ সারাদেশ চরফ্যাশনে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য, অভিযোগ অনৈতিক কর্মকাণ্ডেরও

চরফ্যাশনে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য, অভিযোগ অনৈতিক কর্মকাণ্ডেরও

ভোলা দক্ষিণ থেকে মীর সাজু : ভোলার চরফ্যাশনে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোকে ঘিরে দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য দিন দিন উদ্বেগজনক আকার ধারণ করছে। বিশেষ করে নারী দালালদের সক্রিয় উপস্থিতি এবং লোকচক্ষুর আড়ালে নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও আশপাশের বিভিন্ন ক্লিনিক এলাকায় একাধিক দালাল চক্র দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়। তারা রোগী ও স্বজনদের টার্গেট করে বিভিন্ন প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে কমিশনভিত্তিক লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, এসব দালালদের মধ্যে নারী সদস্যও রয়েছে, যারা সহজে রোগীর স্বজনদের আস্থা অর্জন করে নির্দিষ্ট ক্লিনিকে পাঠাতে ভূমিকা রাখছে। অনেক ক্ষেত্রে রোগীদের অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানো ও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগও উঠেছে।

সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিও প্রতিবেদনে চরফ্যাশনের হাসপাতাল এলাকায় সক্রিয় দালাল চক্রের উপস্থিতি ও সন্দেহজনক কার্যকলাপের চিত্র উঠে এসেছে, যেখানে নারী দালালদের বিষয়টিও আলোচনায় আসে।

স্বাস্থ্যখাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শুধু চরফ্যাশন নয়—দেশের বিভিন্ন স্থানে সরকারি হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগিয়ে বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়া, কমিশনের ভিত্তিতে টেস্ট করানোসহ নানা অনিয়ম দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় একাধিক সচেতন নাগরিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “সবাই দেখছে, কিন্তু কেউ মুখ খুলছে না। দালালদের পেছনে শক্তিশালী সিন্ডিকেট থাকায় সাধারণ মানুষ ভয়ে কিছু বলতে পারে না।”
চরফ্যাশন হাসপাতালের টি এস আশরাফুল ইসলাম বলেন, ডায়াগনস্টিকের ও বহিরাগত দালাল হাসপাতাল করিডোরে ঢোকার কোন সুযোগ নাই। সেদিক থেকে চরফ্যাশন হাসপাতাল দালাল মুক্ত আছে। আমাদের কোন প্রশাসনিক ক্ষমতা নেই। প্রশাসন যদি মোবাইল কোট করে সে ব্যাপারে আমরা লোকবল দিয়ে সহযোগিতা করতে পারবো। প্রশাসনই পারবে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বিভিন্ন ডায়াগনস্টিকের দালাল মুক্ত করতে?

সোস্যাল মিডিয়াতে দৈনিক জনতা