শনিবার | অক্টোবর ২৪, ২০২৬
প্রচ্ছদ সারাদেশ কৃষাণ-কৃষাণির পরিশ্রমে সমৃদ্ধ বাংলার মাটি

গ্রামের মাঠে প্রাক-শীতের ব্যস্ততা: 

কৃষাণ-কৃষাণির পরিশ্রমে সমৃদ্ধ বাংলার মাটি

মোঃমাহাবুবুর রহমান, ঢাকা : সোনার বাংলা—যার মূল প্রাণ নিহিত রয়েছে অজপাড়াগাঁয়ের দিগন্ত বিস্তৃত সবুজ ফসলের মাঠে। ঋতু পরিবর্তনের আবর্তে ভোরের কুয়াশা ছাওয়া মাঠে এখন কৃষাণ-কৃষাণিদের ব্যস্ত সময় কাটছে। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে মাটির বুক চিরে ফসল ফলানোর কাজে নিয়োজিত এই খেটে খাওয়া মানুষের নিরলস পরিশ্রমেই সমৃদ্ধ হয়ে উঠছে বাংলাদেশের অর্থনীতি ও খাদ্য নিরাপত্তা।

ছবিতে দেখা যায়, বিস্তীর্ণ মাঠে একদিকে হলদে সরিষা ফুলের সমারোহ, অন্যদিকে সবুজ শাক-সবজি ও ফসলের পরিচর্যায় ব্যস্ত কিষাণ-কিষাণিরা। পুরুষদের পাশাপাশি নারী শ্রমিকেরাও সমানে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ফসল তোলা, নিড়ানি দেওয়া এবং জমি প্রস্তুতের কাজে অংশ নিচ্ছেন। ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথেই তাঁরা দলবেঁধে নেমে পড়েন মাঠে, যেখানে ক্লান্তি ভুলে মুখে ফুটে ওঠে নতুন ফসলের স্বপ্ন ও হাসি।

কৃষিবিদ ও বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলার মাটি যে কতটা উর্বর, তার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান এই কৃষকদের শ্রম ও নিষ্ঠার। প্রতিকূল আবহাওয়া, সার-বীজের মূল্যবৃদ্ধি কিংবা নানা চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও দেশের খাদ্য উৎপাদন সচল রেখেছেন তাঁরা। তাঁদের এই হাড়ভাঙা খাটুনির ফলেই আমাদের প্রতিদিনের অন্ন সংস্থান সম্ভব হচ্ছে।

স্থানীয় কৃষকদের ভাষায়, “জমিই আমাদের সব। রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে আমরা যখন ভালো ফসল পাই, তখন সব কষ্ট দূর হয়ে যায়।”

গ্রামীণ এই অপরূপ সৌন্দর্য আর শ্রমজীবী মানুষের জীবনসংগ্রাম কেবল গ্রাম-বাংলার চিত্রকেই ফুটিয়ে তোলে না, বরং মনে করিয়ে দেয়—আমাদের জাতীয় উন্নয়ন ও খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণতার মূল ভিত্তিই হলেন এই কৃষক ও কৃষাণিরা।ব্রেকিং নিউজ সিস্টেম করে দিন লোগো উপরে লোগো নিচে দিয়ে ইমেজ দিন

সোস্যাল মিডিয়াতে দৈনিক জনতা