বাড়িঘর ডুবে যাচ্ছে সড়কের নিচে

প্রকাশিতঃ মে ১৯, ২০২৬, ০৯:৫৭

নূর আলম ভ‚ইয়া, ডেমরা (ঢাকা) : রাজধানীর ডেমরা সহ আশপাশের আরো বেশ কিছু এলাকায় সড়কের উন্নয়নে মানুষের বসত বাড়ী ও সড়কের পাশের দোকান পাট। ডুবে যাচ্ছে সড়কের নিচে। এ ছাড়া পূর্বে নির্মান করা পাকা ভবনগুলো ক্রমান্বয়ে সড়কের নিচে পড়ে গেছে। রাজধানীর নিন্মাঞ্চলের ৮ টি ইউনিয়ন কে নতুন ১৮ ওয়ার্ড (৫৮-৭৫) হিসেবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) সাথে সংযুক্ত করা হয়। এসব ওয়ার্ডে নতুন করে অভ্যন্তরীণ সড়ক উন্নয়ন কাজের পরপরই এ সমস্যা গুলো সবচেয়ে বেশীূ দেখা গেছে বলে অভিযোগ রয়েছে স্থানিয়দের। এতে অনেক বাড়িঘরের বাসিন্দা ও সড়কের পাশের মার্কেটের দোকানিরা রয়েছেন চরম বিপাকে। কিছু কিছু বাড়িঘর বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় ভুতুরে পরিবেশ বিরাজমান ফলে বাড়ির মালিক ও ভাড়াটিয়ারা অন্যত্র চলে যাচ্ছেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, নতুন করে যে সকল ড্রেন এবং সড়কের উন্নয়ন কাজ হচ্ছে তা পূরানো বাড়িঘরের চেয়ে প্রায় ৪ থেকে ৫ফুট উচÍাতায় নির্মান করা হচ্ছে। ফলে পূরানো ড্রেন এবং সড়কের সাথে সংযোগ স্থাপন করা যাচ্ছে না এবং পূরানো বাড়িঘড় এবং দোকান পাঠ সড়ক এবং ড্রেনের নিচে পড়ে গিয়ে যেমন বাড়ি ঘর বসবাসের অনুপোযোগি হয়ে উঠছে পাশাপাশি নতুন নির্মিত ড্রেনের পানি মানুষের বাসবাড়ির অভ্যন্তরে প্রবেশ করে স্থায়ী জলাবদ্ধতা ধারন করছে। এছাড়া বর্ষা মৌসুমে এসব এলাকার মানুষের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। অনেকে নিজের বসত বাড়ি ছেড়ে দিয়ে অনত্র গিয়ে ভাড়া বাসায় দিনাতিপাত করছেন।

জানাগেছে, ২০১৬ সালে শ্যামপূর, দনিয়া, ডেমরা, সারুলিয়া, মাতুয়াইল, মান্ডা, দাক্ষিন গাও এবং নাসিরাবাদ ইউনিয়ন কে ঢাকা দক্ষিন সিটি করপোরেশনের আওয়াতায় সম্পিক্ত করার পর থেকেই এসব ইউনিয়নে সরকের নিচে পাইপ লাইণ বসিয়ে ড্রেন এবং সড়ক উন্নয়ন করা হয় এসময়ে আগেকার বাড়িঘড় এবং দোকান পাঠ বর্তমানে নতুন সড়ক অথবা ড্রেনের প্রায় ৫ ফুট নিচে পরে গেছে। কোনো কোনো এলাকার নির্মিত ড্রেন এবং সড়কের ৬ ফুটের অধিক নিচে পড়ে গিয়ে অসংখ্য বাড়ি ঘড় ব্যাবহার অনুপোযোগি হয়ে পরেছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সড়ক থেকে বাড়িঘর ও দোকানপাট নিচে পড়ে যাওয়ায় অন্তত ৩ লক্ষাধিক মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। তবে যাদের পক্ষে সম্ভব ইতোমধ্যে তারা বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো উঁচু করেছেন। সামর্থ্যবান অনেকে পুনঃনির্মাণও শুরু করেছেন।

এ বিষয়ে ডিএসসিসির অঞ্চল-৬ এর আঞ্চলিক নির্বাহী প্রকৌশলী মো. পারভেজ রানা কালবেলা কে বলেন, পাইটির নিম্নাঞ্চলের পরিকল্পিত উন্নয়নের জন্য বাজেট পেশ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে সং¯িøষ্ট সকল ওয়াডেই সুপরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন করা হবে যাতে মানুষের ভোগান্তি না বাড়ে।

ডিএসসিসির অঞ্চল-৮ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাহেব হোসেন বলেন, আগের সরকারের আমলে উন্নয়নের বাজেট সুষম বণ্টন হয়নি বলে অঞ্চল-৮ আওতাভুক্ত এলাকা অনেকটা পিছিয়ে আছে। এ ছাড়া আগকোর বাড়ীঘড় গুলা নিচু জমিতে নির্মান করা হয়েছে। তাই যে সব এলাকায় নতুন করে সড়ক, ড্রেন নির্মান করা হচ্ছে এসব এলাকায় এ দরনের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষের আগামী দিনে বন্নিয়ন মূলক কাজ কারার সময় অবশ্যই জনভোগান্তির বিষয়টি মাথায় রেখেই কাজ করতে হবে। আগামীতে অন্নুন্নত প্রতিটি ওয়ার্ডেই কাজ হবে ওই সময়ে আমরা একে একে প্রত্যেকটি রাস্তার কাজ সুন্দরভাবে সম্পন্ন করব।