নিজস্ব প্রতিনিধি: বান্দরবান পার্বত্য জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলাধীন মদিনাতুল উলুম মডেল ইনস্টিটিউট ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারিগণ অত্যন্ত কর্মোদ্যমী। ৫ আগষ্ট ২০২৪ পরবর্তী পরিস্থিতিতে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় দেশের ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসাসসুহের সবকটি কমিটি বাতিল করে নতুনভাবে এডহক কমিটি গঠনের প্রজ্ঞাপনের নির্দেশনার প্রেক্ষিতে জনাব এস,এম মন্জুরুল হক, এডিসি (রাজস্ব)বান্দরবানকে মাদ্রাসার সভাপতির দায়িত্ব দেন জেলা প্রশাসক বান্দরবান।
সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ার পর এডিসি রেভিনিও এসএম মন্জুরুল হক ভিত্তিহীন ক্ষমতার অপব্যবহার করে যা করেছেন।
*৫ জন শিক্ষক কর্মচারীকে অপসারণের উদ্যোগ গ্রহণ। *অধ্যক্ষসহ ৫ জনকে মাদ্রাসায় প্রবেশে বাধা প্রদান। *অনুপস্থিত দেখিয়ে ২১মাস যাবৎ বেতন ভাতা বন্ধ করা।
*অধ্যক্ষসহ ৫ জনকে বেআইনীভাবে সাময়িক বরখাস্ত করা।
*মহামান্য হাই কোর্ট এর রিট পিটিশন নং ১৩১৩৪/২০২৪ এর ১ই ডিসেম্বর ২০২৪ ইং তারিখের আদেশ প্রতিপালন না করা।
*অধ্যক্ষসহ ৫ জনকে বেতন ভাতা প্রদানের জন্য ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ২টি আদেশ অমান্য করা।
*কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ শিক্ষা মন্ত্রণালয় এর ২টি আদেশ অমান্য করা।
*মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর এর ২টি আদেশ অমান্য করা।
*মিথ্যা ভিত্তিহীন মামলা দিয়ে ৫ জন শিক্ষক কর্মচারীকে হয়রানি করা।
*সর্বশেয জেলাপ্রশাসক, বান্দরবান এর পত্রটিও অমান্য করেন এডিসি রেভিনিও(রাজস্ব)বান্দরবান এস এম মন্জুরুল হক।
মহামান্য হাইকোর্ট অবমাননার কারণে অধ্যক্ষসহ ৫ জন শিক্ষক কর্মচারীর করা মাদ্রাসা সভাপতি এস,এম মন্জুরুল হক এর বিরুদ্ধে, মাননীয় হাই কোর্টে Contempt of Court মামলা নং ৪৫/২০২৬ইং দায়ের করা হয়। উক্ত মামলায় সভাপতির বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি হাইকোর্ট জানতে চেয়েছে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিকট।
আরবী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জনাব এস,এম মন্জুরুল হক এর বিরুদ্ধে একাধিক উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আদেশ অবজ্ঞা করায় ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় সামগ্রিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে বিগত ১২ মে ২০২৬ ইং তারিখ অতিরিক্ত জেলাপ্রশাসক (রাজস্ব)এস এম মন্জুরুল হক বান্দরবান কে সভাপতি মনোনয়ন বাতিল করে তদস্থলে ব্যারিষ্টার ইলিয়াছুর রহমান,পিতা মৃত মোঃ ইদ্রিস, বান্দরবানকে গভর্ণিং বডির অবশিষ্ট মেয়াদ (১৫,০৬,২০২৮ ইং পর্যন্ত) সভাপতি হিসেবে মনোনয়ন প্রদান করে জিও জারী করে আরবী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
এতে করে এডিসি রেভিনিও বান্দরবান এসএম মন্জুরুল হক তার দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন পুরণ করতে না পেরে আইন এখতিয়ার কর্তৃত্ববহিভূত হওয়া সত্বেও ইউএনও নাইক্ষ্যংছড়িকে ব্যবহার করে,ইউএনও এর প্রতিস্বাক্ষরে শিক্ষক কর্মচারির একাংশের ঈদুল আযহা২০২৬ইং এর বিল জনতা ব্যাংক পিএলসি নাইক্ষ্যংছড়ি শাখায় জমা করে।
মাদ্রাসায় নিয়মিত গভর্ণিং বডি থাকা অবস্থায় এমপিও নীতিমালা ২০২৬ ইং এর ১৭/৪ বিধি প্রযোজ্য না হওয়া সত্বেও বিধির ব্যত্যয় করে কমিটিকে পাশ কাটিয়ে বেতন বিলে প্রতিস্বাক্ষর দিয়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
সরকারি দায়িত্বশীল কর্মকর্তার এহেন আচরণ জনগণ সুশীল সমাজকে হতবাগ করেছে।ইহা সুষ্ট সমাধানের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষা মন্ত্রী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করে ভূক্তভোগীরা।