মো: আসাদুজ্জামান আসাদ, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী সীমান্তে চা-বাগান, চা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ও ঐতিহ্যবাহী আমগাছ পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।
এ সময় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্র্যাট মো: গোলাম ফেরদৌস,বাালিয়াডাঙ্গী উপজেলা নির্বাহী অফিসার অন্জন কুমার দাস,বাালিয়াডাঙ্গী থানা অফিসার ইনচার্জ বুলবুল ইসলাম,গ্রীণ ফিল্ড টি ইন্ডাষ্ট্রিজ স্বত্তাধিকারী ফইজুল ইসলাম হিরু, ঠাকুরগাঁও জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাংবাদিক সংস্থা ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো: আসাদুজ্জামান আসাদ প্রমুখ।
এ সময় তার নিরাপত্তার জন্য ব্যাপক ফোর্স নিয়োজিত করেন পুলিশ ।
আজ সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সীমান্তবর্তী নিটোলডোবা চা-বাগান পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে তার চা-বাগান পরিদর্শন কার্যক্রম শুরু হয়।
পরে তিনি বালিয়াডাঙ্গী সীমান্তের গ্রিন ফিল্ড টি স্টেট লিমিটেড, হরিণমারীর এশিয়ার সবচেয়ে বড় আম গাছ পরিদর্শন করেন।
এ সময় তিনি হরিণমারীর ঐতিহ্যবাহী আমগাছ ঘুরে দেখেন। এরপর চা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান গ্রিন ফিল্ড টি ইন্ডাস্ট্রিজ পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে রাষ্ট্রদূত চা-বাগানের পরিবেশ, চা-পাতা সংগ্রহ ও চা উৎপাদন কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে চা শিল্পের সম্ভাবনা ও চা উৎপাদনের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে অবহিত হন। হরিমারির আম গাছে দেখে তিনি মুগ্ধতা প্রকাশ করেন। এসময় তিনি বলেন, এমন বড় ধরণের পুরোনো ও ঐতিহ্যবাহী আমগাছ আমি আমার জীবনে কখনই দেখিনি। ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং পুরোনো ঐতিহ্যে ভরা ঠাকুরগাঁও আমাকে সত্যিই আলোড়িত করেছে। ঠাকুরগাঁওয়ের এই ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যবাহী আম গাছ ও চা বাগান না দেখলে সত্যিই মিস করতাম। আমার বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল সময় সফল হয়েছে ঠাকুরগাঁওয়ের ঐতিহাসিক, পুরোনো এবং ঐতিহ্যবাহী আমগাছে এসে।
এখানকার প্রশাসনের ও স্থানীয় মানুষদের উচিত এগুলো সংরক্ষণ করা এবং এগুলো সম্পর্কে বিশ্ববাসীকে জানানো।
এ সময় স্থানীয় কর্মকর্তা, চা-বাগান সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
