শনিবার | সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
প্রচ্ছদ সারাদেশ আমতলীতে রাতের আঁধারে রেকর্ডীয় জমির ঘর ভাঙচুরের অভিযোগ, আদালতে মামলা

আমতলীতে রাতের আঁধারে রেকর্ডীয় জমির ঘর ভাঙচুরের অভিযোগ, আদালতে মামলা

এসএম সুমন রশিদ, আমতলী(বরগুনা) প্রতিনিধি: বরগুনার আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের ফকিরখালী গ্রামে রেকর্ডীয় জমিতে নির্মিত একটি টিনের ঘর রাতের আঁধারে ভেঙে ফেলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নুরুন্নাহার বেগম আমতলী আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। আদালত মামলাটি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ফকিরখালী গ্রামের বাসিন্দা নুরুন্নাহার বেগম স্বামীর মৃত্যুর পর ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত এস.এ. ৩১২ খতিয়ানের জমি দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন। গত রোববার তিনি বসবাসের উদ্দেশ্যে ওই জমিতে প্রায় ১৪ হাত দৈর্ঘ্যের একটি ২১-বান্ডের টিনের ঘর নির্মাণ করেন।ওই থাকা তিনজন প্রহরীকে হুকমি ও জোর পুর্বক টেনে হিচরে নামিয়ে ঘর ভেংগেচুরে নিয়ে যায় মোতাহার সিকদারসহ প্রায় ১৫-২০ জন লোকেরা।
নুরুন্নাহার বেগম বলেন, রোববার দিবাগত রাত আনুমানিক ১১টার দিকে মো. মোতাহার সিকদার, সোলায়মান সিকদারসহ ১৫-২০ জন লোক তার নির্মিত ঘরে এসে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ঘরে অবস্থানরত তিনজনকে বের করে দেয়। পরে তারা জোরপূর্বক ঘরটি ভেঙে নিয়ে যায়। এতে প্রায় ৫০ হাজার টাকার আসবাবপত্র ও অন্যান্য মালামালের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
এ মামলার এজাহারে আসামী করে মো. মোতাহার সিকদার (৬০), সোলায়মান সিকদার (২৫), মোস্তফা ঘরামী (৩০), রাবেয়া (২৮), কোহিনুর (৫৫) ও ইউসুফ সিকদার (৩০)-এর নামসহ কয়েকজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা আলতাফ চৌকিদার বলেন, “আমরা ঘটনাস্থলে ছিলাম। আমাদের জিম্মি করে রাখার কারণে বাধা দিতে পারিনি।”
মামলার দুই সাক্ষীও দাবি করেছেন, তারা ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করেছেন; তবে প্রাণভয়ের কারণে তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিবাদ করতে পারেননি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মো. মোতাহার সিকদার বলেন, “ঘটনাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমাদের ফাঁসানোর উদ্দেশ্যেই এ মামলা করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে আমতলী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের হয়েছে যাহার নং-
এ বিষয়ে আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, “আদালত থেকে এখনো কোনো কাগজপত্র পাইনি। পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোস্যাল মিডিয়াতে দৈনিক জনতা