মনোয়ার হোসেন সোহেল ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ ছিল কতৃপক্ষের অসংখ্য প্রতিশ্রুতি। আশ্বাসে বুক বেঁধেছিল এলাকার সাধারণ মানুষ। তবুও শেষ রক্ষা হলো না। ভেঙ্গে গেছে ধলেশ্বরী নদীর সেই বাঁধ।
টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার হাতিয়া এলাকায় নদীর তীব্র ভাঙনের ফলে বাঁধের একটি অংশ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ শুরু হয়েছে। এতে সল্লা, হাতিয়া, নরদহী, আনালিয়াবাড়ী, ভাবলা, দেউপুরসহ আশপাশের আরও কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এই নদী ভাঙ্গন নিয়ে গত ২৭ জুন দৈনিক জনতায় , “ধলেশ্বরীর তীব্র ভাঙ্গন আতঙ্কে ১৫ গ্রামের হাজারো মানুষ” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। তখন কতৃপক্ষের অসংখ্য প্রতিশ্রুতি মেলে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি এবং অব্যাহত ভাঙনের কারণে বসতবাড়ি, ফসলি জমি ও বিভিন্ন স্থাপনা হুমকির মুখে পড়েছে। পরিস্থিতির আরও অবনতি হলে বিস্তীর্ণ কৃষিজমি পানিতে তলিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি এলাকার অসংখ্য মাছের ঘের ও পুকুরও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
স্থানীয়রা আরও বলেন, নদীতে বালুবাহী বাল্কহেডের চলাচল অব্যাহত থাকলে নদীভাঙন আরও তীব্র হতে পারে এবং ঝুঁকি কয়েকগুণ বেড়ে যাবে। তাই তারা অবিলম্বে বাল্কহেড চলাচল বন্ধসহ নদীভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
এদিকে, পরিস্থিতি পরিদর্শনে ঘটনাস্থলে যান কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা আক্তার । তিনি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন শেষে জানান, বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
