শুক্রবার | সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
প্রচ্ছদ সারাদেশ রায়পুরায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মিছিলে দুই পক্ষের সংঘর্ষ

রায়পুরায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মিছিলে দুই পক্ষের সংঘর্ষ

কামরুল ইসলাম কামাল, নরসিংদী প্রতিনিধিঃ রায়পুরায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মিছিলে দুই পক্ষের সংঘর্ষ নরসিংদীর রায়পুরায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচিতে দলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক বিএনপি কর্মী আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পৌর এলাকার রায়পুরা পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। প্রতিপক্ষের হামলায় ফারুক মিয়া (৪৫) নামে এক বিএনপি কর্মী আহত হন।

আহত ফারুক মিয়া বটতলী গ্রামের আলাউদ্দিন মেম্বারের ছেলে। তিনি চর-আড়ালিয়া ইউনিয়ন বিএনপির কর্মী।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে চর-আড়ালিয়া ইউনিয়নের কয়েকজন বিএনপি নেতা জানান, সকালে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিতে আসার সময় থেকেই নরসিংদী জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও চর-আড়ালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হাসানুজ্জামান সরকার এবং চেয়ারম্যান প্রার্থী আতাউর রহমান মিঠুর দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে রায়পুরা পৌর শহরে এসে হাসানুজ্জামান সরকার ও আতাউর রহমান মিঠুর পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় হাসানুজ্জামান সরকারের সমর্থকদের হামলায় মিঠুর পক্ষের একজন আহত হন।

এ ব্যাপারে আতাউর রহমান মিঠু জানান, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করতে আমাদের মাননীয় সংসদ ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুলের নির্দেশনায় আমরা র‍্যালি নিয়ে রায়পুরা পৌর শহরে যাই। সেখানে যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও চর-আড়ালিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান হাসানুজ্জামান সরকারের লোক কেবল ডাকাত, ফখরুদ্দিন, নিশাতসহ আরও ৪/৫ জন লোক মিলে আমাদের কর্মী সমর্থকদের ওপর হামলা চালায়। এসময় আমার এক কর্মী আহত হয়। পরে আমরা বিষয়টি এমপি মহোদয়কে জানালে ওনি সবাইকে উপজেলা মাঠে ডেকে বিষয়টি দ্রুত সুষ্ঠু সমাধান করবে বলে আশ্বাস প্রদান করে।

মিঠু আরও বলেন, আমাদের জনপ্রিয়তা দেখে, আমাদের মানুষ দেখে আজ সকালেই আমার এক চাচতো ভাই মাইনউদ্দিককে তারা মারধোর করে। তখন তাৎক্ষণিক আমি কোন ঝামেলায় না জড়িয়ে বিষয়টি এমপি মহোদয় কে জানাই। তারপরেও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মিছিলের আর আমার লোকজনকে মারধর করে।

এ ব্যাপারে চর-আড়ালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হাসানুজ্জামান সরকারের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।

এ ব্যাপারে নরসিংদী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল বলেন, যারা বিএনপিতে থেকে বিএনপির নেতৃবৃন্দদেরকে মারধর করবে ওই বিএনপি করা লোক আমার দরকার নাই। দ্রুতই আমি তাদের বহিষ্কার করবো। আমি ইতিমধ্যে তাদের ডেকে মিটিং করেছি। তাদের ৭দিনের সময় বেঁধে দিয়েছি। এরমধ্যে হাসানুজ্জামান সঠিক ভাবে বিচার করে তাহলে করবে নয়তো আমি ৭দিন পর বসে যে অপরাধ করেছে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে দিবো এবং বিচার তাদের বিচারের আওতায় আনবো।

সোস্যাল মিডিয়াতে দৈনিক জনতা