মনোয়ার হোসেন সোহেল, ঘাটাইল টাঙ্গাইল প্রতিনিধি : মো. মাহমাদুল হাসান, (পরিচিতি নম্বর ১৮৬২২) উপজেলা নির্বাহী অফিসার ঘাটাইল। ২১ এপ্রিল ২০২৬ দায়িত্বভার গ্রহন করেন ।
গত ১৬ সেপ্টেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে তাঁকে ঘাটাইল থেকে বদলি করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের একান্ত সচিব পদে পদায়ন করা হয়।
অথচ তিনি সেখানে যোগদান না করে ঘাটাইলে বহাল তবিয়তে অফিস করছেন । ইতিমধ্যেই তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের পাহাড় জমে উঠেছে ।
বদলি করা হলেও তিনি প্রজ্ঞাপনের পরও স্বপদে বহাল রয়েছেন। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে তাঁর বদলির প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়, কিন্তু আদেশ জারির পর বেশ কিছুদিন পার হয়ে গেলেও তিনি ঘাটাইল থেকে অবমুক্ত হননি। ইউএনও মাহমুদুল হাসানের বিরুদ্ধে ওঠা কিছু গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ ও সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ।
ঘাটাইলে দায়িত্ব পালনকালে তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম, টেন্ডার আটকে অর্থ দাবি এবং সরকারি অর্থ ছাড়ে অনিয়মের মতো গুরুতর অভিযোগ ওঠে।
তাঁর বিরুদ্ধে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের তথ্য চেয়ে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করায় সমকালের স্থানীয় প্রতিনিধিকে ফোন করে ‘অফেন্সিভ মোডে’ যাওয়ার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।
বদলির প্রজ্ঞাপনে “জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হয়েছে” বলা হলেও পূর্বের দুর্নীতি বা অভিযোগের কোনো নির্দিষ্ট কারণ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি।সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বদলির আদেশ আসার পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কর্মস্থল ত্যাগ করার কথা থাকলেও, তাঁর এভাবে স্বপদে বহাল থাকা নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে সমালোচনা তৈরি হয়েছে।
এসব বিষয়ে মাহমাদুল হাসানের বক্তব্য নেওয়ার জন্য সরকারি মোবাইল নম্বরে বার বার কল করার পরও ধরেননি। পরে তাঁর হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে মেসেজ দিয়েও কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। পরে বিষয়টি নিয়ে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক শরীফা হককে কয়েক দফা ফোন করলেও ধরেননি।
