এইচ এন আলম, কক্সবাজার প্রতিনিধিঃসেচ কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট রাবার ড্যাম। এছাড়াও পর্যটকদের বিনোদনের জায়গাও এটি।
অথচ দেশে সর্ব প্রথম ১৯৮৬ সালে স্থাপিত কক্সবাজারের ঈদগাঁও রাবার ড্যামটি কালের গর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে।
অযত্ন ও চরম অবহেলায় পড়ে রয়েছে। ড্যাম অফিসের সিডি দরজা ভাঙ্গা। অফিস রুমটি রাতে হয়ে উঠে মাদকসেবী ও অপরাধীদের আখড়া ও চলাচল ব্রীজটিও ঝুঁকিপূর্ণ। দায়িত্বপ্রাপ্তরা এদিকে কোন নজর দিচ্ছেনা বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
সরজমিন পরিদর্শন করে যেসব দৃশ্য দেখা গেছে, সেগুলোর মধ্যে দোতলা অফিসটি যেন মাদক সেবীদের জন্য লীজ দেয়া হয়েছে। এলাকাটি সম্পূর্ন অরক্ষিত। কোন সীমানা ঘেরা নেই। ঞব্রীজটির মাঝ বরাবর কিছু অংশ ভেঙ্গে গেছে। ব্রীজের নিচের অংশ খন্ড খন্ড ভেঙ্গে পড়ছে। ব্রীজের উভয় পাশে কোন গাইড ওয়াল না থাকায় প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনা বাড়ছে।
এমনকি অপহরণকারীরা বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজনকে অপহরণ করে ওই জায়গায় নিয়ে আসেন ফলে অনেকের জীবন হারাতে হয়েছে।
ড্যামের রাবার ও স্লূইচ গেইটটি আবর্জনায় পরিপূর্ণ। রাতে দু’ কুলে লাইট না থাকায় ভূতুড়ে পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এক সময়ের সৌন্দর্য মন্ডিত ফুল বাগান ও ব্রীজ- দেয়াল ইত্যাদিতে রংকরণের কাজও হচ্ছেনা যুগ যুগ ধরে। রাবার ড্যাম সড়কটির খানা খন্দকে এবডো থেবডো অবস্থা। দীর্ঘ ৩৮ বছর পূর্বে স্থাপিত ড্যামটির জীর্ণদশা দেখে এলাকাবাসী চরমভাবে আক্ষেপ ও উদ্বেগ প্রকাশ করছে। ড্যামের পাহারাদারের দায়িত্ব কার তাও কেউ জানে না। এতে করে চোর ডাকাতরা এটা নিরাপদ স্থান হিসেবে অপরাধ করতে দ্বিধাবোধ করে না।
জানা যায়, রাবার ড্যাম বিশেষত দুজন দায়িত্বে রয়েছেন। একজন শাহনেওয়াজ মিন্টূ ও অপরজন ছুট্টো। তারা দায়িত্ব নিয়ে ড্যামটিকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। তবে সত্যতা স্বীকার করে ছুট্টো জানান ,তার চিন্তা চেতনায় এসব সংস্কার করার প্ল্যান রয়েছে।
অন্যদিকে এলজিইডি কতৃপক্ষ রহস্যজনক কারণে এসব দেখেও না দেখার ভান করছে।
