রবিবার | সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
প্রচ্ছদ সারাদেশ কটিয়াদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগে সাবেক নেতা রুহুল সরকারের মৃত্যু

কারাগারে অসুস্থ :

কটিয়াদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগে সাবেক নেতা রুহুল সরকারের মৃত্যু

কিশোরগঞ্জ থেকে মোঃ মিজানুর রহমান : কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে থাকা অবস্থায় অসুস্থ হয়ে ( বর্তমানে কার্যকম নিষিদ্ধ) কটিয়াদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক খাইরুল আমিন রুহুল সরকার (৫০) মারা গেছেন।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ২টার দিকে ঢাকার জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাঁর বড় ভাই নুরুল আমিন।

খাইরুল আমিন রুহুল সরকার লোহাজুরী ইউনিয়নের দশপাখি গ্রামের মৃত উসমান গণির ছেলে। তিনি কেন্দ্রীয় দলিল লেখক সমিতির সাবেক সহ-আইনবিষয়ক সম্পাদক এবং কটিয়াদী দলিল লেখক সমিতির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।

বড় ভাই নুরুল আমিন পরিবারের বরাতে জানান, আগে থেকেই তাঁর ভাইয়ের মাঝেমধ্যে বুকে ব্যথা হতো। কারাগারে থাকা অবস্থায় কিছুদিন ধরে তিনি অসুস্থতায় ভুগছিলেন। গত দুই দিন ধরে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলেও সময়মতো প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ওষুধ পাননি বলে অভিযোগ পরিবারের।

তিনি জানান, গতকাল শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সেখানে আইনি জটিলতায় কয়েক ঘণ্টা সময়ক্ষেপণ হয় বলে পরিবারের অভিযোগ। পরে অবস্থার আরও অবনতি হলে তাঁকে ঢাকায় নেওয়া হয়। একপর্যায়ে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে নেওয়ার পর রাত ২টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

নুরুল আমিন আরও বলেন, সময়মতো চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ পেলে তাঁর ভাইকে বাঁচানো যেত।

গত ৭-৮ বছর ধরে বিভিন্ন কারণে তাঁর ভাই রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় ছিলেন। সম্প্রতি ওমরাহ পালন শেষে দেশে ফেরার পর তিনি গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে ছিলেন।

জানা গেছে, চলতি মাসের প্রথম দিকে পবিত্র ওমরাহ পালন শেষে দেশে ফেরেন খাইরুল আমিন রুহুল সরকার। গত ৮ সেপ্টেম্বর দুপুরে তাঁকে কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করে। পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় তাঁকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার নাশির আহমেদ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খাইরুল আমিন রুহুল সরকার ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দেওয়ায় প্রথমে তাঁকে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে পুলিশি ব্যবস্থাপনায় তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোর রাতে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর আগে তাঁর শ্বাসকষ্টের সমস্যা হঠাৎ করেই তীব্র হয়ে ওঠে।

সোস্যাল মিডিয়াতে দৈনিক জনতা