রূপগঞ্জ থেকে মাসুদ করিম : ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের রূপগঞ্জ উপজেলার ভুলতা গাউছিয়া এলাকার মহাসড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত ও অবৈধস্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
১৩ অক্টোবর মঙ্গলবার রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ-বিন-শফিক এর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এসময় বিএনপি এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সহযোগিতায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি ছিল সন্তোষ জনক।
অভিযানে অবৈধ স্থাপনাসহ ছোট-বড় সহস্রাধিক অবৈধ দখলদারকে শত শত ভ্যান দোকান মহাসড়ক থেকে সড়িয়ে দেয়া হয়।
এ সময় নারায়ণগঞ্জ জেলা সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম, রূপগঞ্জ থানার ওসি এএইচএম সালাউদ্দিন, এছাড়া রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আনোয়ার সাদাত সায়েম, আশরাফুল হক রিপন, আব্দুল আজিজ মাস্টার, আব্দুল মতিন, আরিফুল ইসলাম ইমন উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে মহাসড়কের উপর কাঁচাবাজার, মাছ, সবজি, কাপড়, জুতা ও ফলের পসরা সাজিয়ে ব্যবসায়ীরা বেচাকেনা করে আসছিলেন। আবার কেউ ভ্যান গাড়িতে তাদের পণ্য বিক্রি করেছেন। এ কারণে মহাসড়ক সরু পথে পরিণত হয়ে যানজট পোহাতে হয় দূরপাল্লার যানবাহনকে।
সাওঘাট থেকে ভুলতা পর্যন্ত মহাসড়কের একপাশে কাঁচাবাজার ও অপর পাশে কাপড়, জুতা, ফলের দোকানদারদের দখলেই ছিল। ভুলতা ও গোলাকান্দাইল ফ্লাইওভারের নিচে প্রতিনিয়ত কলা, ডাব ও আখ বিক্রেতাদের শতাধিক ভাসমান দোকানিদের দখলে ছিল। এছাড়াও মহাসড়ক জুড়ে পিকআপ ভ্যান, সিএনজি চালিত অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, প্রাইভেটকারের একাধিক স্ট্যান্ড তো ছিল বহাল তবিয়তে ।
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের রূপগঞ্জের ভুলতা স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে থেকে গোলাকান্দাইল-সাওঘাট এলাকা পর্যন্ত ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা এসকল অবৈধ স্ট্যান্ড, দোকানপাট বিভিন্ন স্থাপনা ভেকু দিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। গত ১২অক্টোবর সোমবার মাইকিং করে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। তাতে অনেক ব্যবসায়ী নিজেরাই তাঁদের দোকানপাট ও স্থাপনা সরিয়ে নেয়।
নারায়ণগঞ্জ জেলা সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভুলতা গাউছিয়া এলাকা ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর অবস্থানে থাকবে।
রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এসএম আব্দুল্লাহ-বিন-শফিক বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক দখলমুক্ত রাখতে প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ৪০জন স্বেচ্ছাসেবী মহাসড়ক যানজটমুক্ত রাখতে নিয়মিত কাজ করবে। অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এলাকাবাসীর ধারণা এবারের উচ্ছেদ অভিযান ও প্রশাসন, পুলিশ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সামাজিক সহযোগিতায় হয়েছে ;সামনে দিনে সকলের সমন্বিত নজর দারী থাকলে এর সুফল দেশবাসী পেতে বাধ্য।
