মো: সিপাউর রহমান, কুলাউড়া সংবাদদাতা : মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শতবর্ষী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আলী আমজদ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি মনোনীত হয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আহমদ উর রহমান খান মুরাদ।
তিনি উপজেলার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামের কৃতী সন্তান। পাশাপাশি তিনি মৌলভীবাজার জজ কোর্টের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) এবং পৃথিমপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
জানা যায়, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, সিলেটের ২৫ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে স্বাক্ষরিত এক পত্রের মাধ্যমে আগামী ছয় মাসের জন্য আলী আমজদ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
নবগঠিত এডহক কমিটির সদস্যসচিব মনোনীত হয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শশাঙ্ক শেখর গোস্বামী। কমিটির শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন মিসবুন নাহার বেগম এবং অভিভাবক প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন বাবুল আহমদ।
এ বিষয়ে আলী আমজদ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শশাঙ্ক শেখর গোস্বামী বলেন, ‘মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, সিলেট থেকে আমরা এডহক কমিটির অনুমোদনসংক্রান্ত স্বাক্ষরিত পত্র পেয়েছি। নতুন কমিটি পেয়ে আমরা আনন্দিত ও আশাবাদী। এই কমিটির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সার্বিক উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করছি।’ এ সময় তিনি নবগঠিত কমিটির সভাপতি ও অন্যান্য সদস্যকে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।
নবনিযুক্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট আহমদ উর রহমান খান মুরাদ বলেন, এই ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতি মনোনীত হওয়ায় আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমার সামর্থ্য অনুযায়ী সব সময় চেষ্টা করব প্রতিষ্ঠানটিকে আরও এগিয়ে নিতে। শিক্ষক, অভিভাবক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে এই সুনামধন্য বিদ্যাপীঠকে একটি আদর্শ ও মডেল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এ জন্য সবার সহযোগিতা, পরামর্শ ও দোয়া কামনা করছি।
তিনি আরও বলেন, কুলাউড়ার অভিভাবক মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শওকতুল ইসলাম শকুর প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তাঁর সহযোগিতায় এবং বর্তমান সরকারের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষাব্যবস্থা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন আরও এগিয়ে যাবে বলে আশা করছি।
এদিকে অ্যাডভোকেট আহমদ উর রহমান খান মুরাদ এডহক কমিটির সভাপতি মনোনীত হওয়ায় পৃথিমপাশাসহ স্থানীয় এলাকায় আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকে তাঁকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এলাকাবাসী আশা প্রকাশ করেছেন, তাঁর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার মানোন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সার্বিক অগ্রযাত্রা আরও বেগবান হবে। তাঁরা তাঁর আগামী দিনের পথচলার সফলতা কামনা করেছেন।
