দোয়ারাবাজার, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় সৌদি আরবে পাঠিয়ে ভালো বেতনে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সৌদি প্রবাসী ফারুক মিয়া ও তাঁর স্ত্রী মাহমুদা বেগমের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী মামুন মিয়া ঢাকা সরকারি তিতুমীর কলেজের অনার্সপড়ুয়া শিক্ষার্থী ছিলেন বলে জানিয়েছেন তাঁর বাবা রমজান আলী।
সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধার পূর্ব মুহূর্তে উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের এরুয়াখাই গ্রামে নিজ বাড়িতে সাংবাদিকদের কাছে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন রমজান আলী।
অভিযোগ অনুযায়ী,পার্শ্ববর্তী ফতেহপুর গ্রামের সৌদি প্রবাসী ফারুক মিয়া ও তাঁর স্ত্রী মাহমুদা বেগম মামুনকে সৌদি আরবে কোম্পানির ভিসায় পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দেন। সেখানে প্রতি মাসে এক লাখ টাকা বেতনে চাকরি এবং ১৫ মাসের ইকামা দেওয়ার কথা বলে তাঁর পরিবারের কাছ থেকে ৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা নেওয়া হয়।
রমজান আলীর অভিযোগ, সৌদি আরবে যাওয়ার পর তাঁর ছেলে মামুনকে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কোনো কাজ দেওয়া হয়নি। বরং একপর্যায়ে তাঁকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয় বলে তিনি দাবি করেন। এতে তাঁর ছেলের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে বলে জানান তিনি।
ক্ষোভ প্রকাশ করে রমজান আলী বলেন, প্রতারক ফারুক আমাকে পথের ফকির বানিয়ে আমার ছেলের জীবন ধ্বংস করে দিয়েছেন। আমার ছেলে ঢাকা সরকারি তিতুমীর কলেজে অনার্সে পড়াশোনা করত।
স্থানীয়ভাবে এ ধরনের আরও অভিযোগ রয়েছে বলে কয়েকজনের বক্তব্য পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ফারুক মিয়ার স্ত্রী মাহমুদা বেগমের দাবি, একই গ্রামের নিয়াত আলীর ছেলে সৌদি প্রবাসী নাসিরের প্রলোভনে পড়ে আমার স্বামী তাকে বিদেশে নিয়ে যান। নাসিরের মাধ্যমে আমার স্বামীও বিদেশে গিয়েছে। মাহমুদা বেগমের ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমানে তাদের পরিবার আর্থিক সংকটের মধ্যে রয়েছে এবং পরিবারের সদস্যরা চরম কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। টাকা হাতে আসলেই তাদের সাথে ঝামেলা মীমাংসা করে দিব।
