পটিয়া (চট্টগ্রাম) থেকে সেলিম চৌধুরী : চট্টগ্রামের পটিয়ায় ঐতিহ্যবাহী আমির ভান্ডার দরবার শরিফে গাউছিয়া আমির মঞ্জিলে আঞ্জুমানে আশেকানে পেয়ারু শাহ আমির ভান্ডারী কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের উদ্যোগে হজরত গাউছুল আযম আবদুল কাদের জিলানী ও মাওলানা সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভান্ডারি পবিত্র ওরশ উপলক্ষে ১১ দিনব্যাপী আজিমুশশান জশনে ছরকার গাউছুল আযম মাহফিল শুরু হয়েছে।
এ উপলক্ষে ১৩ সেপ্টেম্বর রবিবার রাতে প্রথম দিবসে সভাপতিত্ব করেন আলহাজ্ব শাহছুফী সৈয়দ পেয়ারু মোস্তফা শাহ আমেরী। মেহমানআলা ছিলেন পীরজাদা সৈয়দ ফরিদুল আবছার আমেরী,প্রধান আলোচক ছিলেন আল্লামা মুফতি আহমদ হোছাইন আল কাদেরী, মাওলানা আবদুল আলীম নুরী। উপস্থিত ছিলেন শাহসুফি সৈয়দ মাসুদ উজ্জমান আমিরী,আল্লামা শাহসুফি সৈয়দ নেওয়াজ উজ্জমান আমিরী, মুফতি শাহজাদা সৈয়দ দৌলত উজ্জমান আমিরী, পটিয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এইচএমকে জাহাঙ্গীর, রওশনগীর আমেরী, শাহজাদা সরোয়ার আমেরী,শাহজাদা মোদাচ্ছারজ্জমান আমেরী,হাজী মাঈনুদ্দীন, জহিরুল ইসলাম, মুফতি মুহাম্মদ বখতিয়ার হামিদ আল কাদেরী, মোস্তাক আহমদ,
মোহাম্মদ মকসুদ ,মুহাম্মদ মাওলানা আমিরুদ্দীন নয়ন,মোহাম্মদ দিদারুল আলম, মুহাম্মদ মনির, মুহাম্মদ ইউসুফ, মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান প্রমুখ।
এসময় এলাকার মান্যগন্য ব্যাক্তিবর্গ ছাড়াও শ্রেনীর পেশাজীবি লোকজন মিলাদ মাহফিলে অংশ গ্রহণ করে। রাতে আখেরি মোনাজাত শেষে ভক্তদের মাঝে তবররুক বিতরণ করা হয়।মিলাদ মাহফিলে বক্তারা বলেন, বড় পীর হজরত আব্দুল কাদির জিলানীর (রাঃ) একজন সুফিবাদ হিসেবে তাঁর জীবনদর্শন ছিল আল্লাহর প্রেম, আধ্যাত্মিক উন্নতি, মানবতার সেবা, নম্রতা, কৃতজ্ঞতা, আল্লাহর ইচ্ছার কাছে আত্মসমর্পণ, তাঁর শিক্ষা বিশ্বব্যাপী মুসলমানদের অনুপ্রাণিত নির্দেশনা প্রদান করে। তিনি ছিলেন অলিকুল সম্রাট শিরোমণি, একজন আধ্যাত্মিক পথ প্রদর্শক হিসেবে সারা বিশ্বে মুসলিমজাহানে উত্তরাধিকার ইসলামী ইতিহাস ও ঐতিহ্যের আদর্শে বর্তমান সময়ে গুরুত্ব বহন করে।
