শনিবার | সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
প্রচ্ছদ সারাদেশ পূজামণ্ডপের কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ওসির মতবিনিম

দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন করতে প্রস্তুতিমূলক সভা

পূজামণ্ডপের কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ওসির মতবিনিম

আমতলী (বরগুনা) থেকে : এসএম সুমন রশিদ :
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে আমতলী থানা এলাকার ১৬টি পূজামণ্ডপের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় ও প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজা উদযাপন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সভায় প্রতিটি পূজামণ্ডপে পর্যাপ্ত সংখ্যক ওয়ান-টাইম আইডি কার্ডধারী স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ এবং রাতে মণ্ডপের নিরাপত্তায় বিশেষ ডিউটির ব্যবস্থা করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। পাশাপাশি প্রতিটি মণ্ডপ ও প্রবেশদ্বারে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল রাখতে বিকল্প হিসেবে জেনারেটরের ব্যবস্থা, অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপক সিলিন্ডার, বালু ও পানি মজুত রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা বা গুজবের সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ অথবা আমতলী থানার ওসির সরকারি মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়। পারস্পরিক যোগাযোগ ও দ্রুত তথ্য আদান-প্রদানের জন্য হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ব্যবহারের বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এছাড়া শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে ধর্মীয় রীতিনীতি ও শালীনতা বজায় রেখে মাইক বা সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিশেষ করে আজান ও নামাজের সময়ে মাইক ও সাউন্ড সিস্টেম সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে।

সভায় পূজামণ্ডপ ও আশপাশের এলাকায় মাদক সেবন, বিক্রি এবং জুয়ার আসর সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়। প্রতিমা তৈরি থেকে শুরু করে বিসর্জন পর্যন্ত এমন কোনো কর্মকাণ্ড না করার জন্য সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়, যাতে অন্য ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে।

আমতলী উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ ও পূজামণ্ডপের দায়িত্বশীলরা প্রশাসনের এসব উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপনে প্রশাসনকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ মো:ইয়াকুব হোসাইন বলেন,পুলিশের পুজামন্ডব থেকে শুরু করে প্রতিমা বিসর্জন পর্যন্ত প্রতিটি মণ্ডপে পুলিশ ও আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারিও জোরদার করা হবে।

সোস্যাল মিডিয়াতে দৈনিক জনতা