বৃহস্পতিবার | অক্টোবর ২২, ২০২৬
প্রচ্ছদ সারাদেশ ট্রলার ডুবিতে স্ত্রী ও কন্যা হারানো শংকরের পাশে দাড়ালেন গৃহায়ন ও গনপূর্ত প্রতিমন্ত্রী

ট্রলার ডুবিতে স্ত্রী ও কন্যা হারানো শংকরের পাশে দাড়ালেন গৃহায়ন ও গনপূর্ত প্রতিমন্ত্রী

পিরোজপুর প্রতিনিধি : ‎পিরোজপুরের নাজিরপুর ও নেছারাবাদ উপজেলার সিমান্তবর্তী লিগঙ্গা নদীতে গত তিন দিন আগে ট্রলার ডুবিতে স্ত্রী ও শিশু কন্যা হারানো শংকর বেপারীর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর (এমপি)।

আজ বুধবার বিকেলে মন্ত্রীর নির্দেশে নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসিক আহম্মেদ শোকাহত শংকরের
গুয়ারেখা ইউনিয়নের ভরতকাঠীর বাড়ীতে গিয়ে পারিবারিক খোজ খবর নিয়ে প্রতিমন্ত্রীর ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি শংকরের স্হায়ী কর্মসংস্হান অথবা ব্যাবসার সুযোগ সৃষ্টির আশ্বাস দিয়েছেন।

অপরদিকে গতকাল মঙ্গলবার নাজিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাজিয়া শাহনাজ (তমা) আদ্রিতার মরদেহ সৎকারের জন্য ২০ হাজার টাকা প্রদান করেছিলেন।

‎উল্লেখ্য গত সোমবার (১৯ অক্টোবর) আনুমানিক রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের দিকে নেছারাবাদ ও নাজিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী শ্রীরামকাঠী-ভরতকাঠী ফেরিঘাট এলাকার কালিগঙ্গা নদীতে যাত্রীবাহী খেয়ার ট্রলার ডুবে যায়। ঐঘটনায় নেছারাবাদ উপজেলার গুয়ারেখা ইউনিয়নের ভরতকাঠী গ্রামের শংকর বেপারীর স্ত্রী রীনা বেপারী (৩৬) ও তার মেয়ে আদ্রিতা বেপারী (৮) নদীতে ‎ডুবে নিখোজ হন।

সোমবার রাত ৮.৩০ মিনিটের দিকে শ্রীরামকাঠী ফেরী ঘাট থেকে প্রায় ৭০/৮০জন যাত্রী ও ৫টি মোটরসাইকেল বহন করে
খেয়ার ট্রলারটি নেছারাবাদের ভরতকাঠী খেয়াঘাটের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। মাএা অতিরিক্ত যাত্রী ও মোটরসাইকেল এর ওজনের চাপে ভারসাম্য হারিয়ে ঘাট ছাড়ার সাথে সাথে ট্রলারটি একপাশে কাত হয়ে নদীতে ডুবে যায়। অধিকাংশ যাত্রী সাতরিয়ে তীরে উঠতে পারলেও নিখোঁজ হন শংকরের স্ত্রী ও মেয়ে।

পরবর্তীতে বরিশাল থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবরিদল এসে নদীর তলদেশ থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করতে পারলেও তার মা রিনা বেপারী নিখোজ ছিলেন।

আজ বুধবার দুপুর সাড়ে এগারোটায় নাজিরপুর থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম নাজিরপুরের শ্রীরামকাঠী ইউনিয়নের কালিকাঠী ভারানি খালের মুখ থেকে রিনা বেপারীর মরদেহ উদ্ধার করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া শাহনাজ তমার উপস্থিতিতে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করেন।

সোস্যাল মিডিয়াতে দৈনিক জনতা