এইচ এন আলম, কক্সবাজার : কক্সবাজারের ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কের হিমছড়ি ঢালায় সংঘটিত চাঞ্চল্যকর গণডাকাতির ঘটনায় মো. ইমাম হোসাইন (৩২) নামে আরও এক সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১৫ (এসআরবি-১৫)। এ সময় তাঁর কাছ থেকে একটি ব্যবহৃত অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে রামু উপজেলার ঈদগড় ইউনিয়নের পশ্চিম হাসনাকাটা এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। ইমাম হোসাইন ওই ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের হাসনাকাটা এলাকার মৃত মোক্তার আহাম্মদের ছেলে।
এসআরবি-১৫-এর তথ্য অনুযায়ী, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সদর ব্যাটালিয়নের একটি আভিযানিক দল পশ্চিম হাসনাকাটা এলাকার ‘হাসনাকাটা সবুজ বাংলা যুব সমাজ’ কার্যালয়ের সামনে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে গত ১৯ অক্টোবর ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কের হিমছড়ি ঢালায় সংঘটিত গণডাকাতির ঘটনায় ইমাম হোসাইন জড়িত থাকতে পারেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় এরই মধ্যে ঈদগাঁও থানায় মামলা হয়েছে।
ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম সিফাতুল মাজদার জানান, ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কে ডাকাতির ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, এ ঘটনায় এর আগে এক নারী, তাঁর কিশোর ছেলে ও রাইহান নামে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সব মিলিয়ে এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তারের তথ্য পাওয়া গেছে।
স্থানীয়দের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা সত্যিই এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তের মাধ্যমে ডাকাতদলের অন্য সদস্যদের শনাক্ত করে সবাইকে আইনের আওতায় আনতে হবে। এতে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনের পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন তাঁরা।
