বৃহস্পতিবার | সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
প্রচ্ছদ ৩১ ছড়ার ২৫টিতেই বালুর হরিলুট: শ্রীমঙ্গলে বালুর নিচে চাপা পড়ছে সরকারের কোটি টাকা, নামমাত্র জরিমানায় থামছে না চক্র

৩১ ছড়ার ২৫টিতেই বালুর হরিলুট: শ্রীমঙ্গলে বালুর নিচে চাপা পড়ছে সরকারের কোটি টাকা, নামমাত্র জরিমানায় থামছে না চক্র

শাহাব উদ্দিন আহমদ, শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় সরকারিভাবে চিহ্নিত বালুমহাল রয়েছে ৩১টি। কিন্তু এর মধ্যে ইজারা দেওয়া আছে মাত্র ছয়টি। বাকি ২৫টি ছড়া কোনো বৈধ ইজারার আওতায় নেই—অর্থাৎ সেখান থেকে বাণিজ্যিক বা অবাণিজ্যিক, কোনোভাবেই এক ঝুড়ি বালুও তোলার সুযোগ নেই। বাস্তবে এসব ছড়া থেকেই দিনে-রাতে বালু তোলা হচ্ছে, ট্রাক-ট্রলিতে করে বিক্রি হচ্ছে, আর সরকারের কোষাগারে যাচ্ছে না এক পয়সাও।
উপজেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, শ্রীমঙ্গলের যে ছয়টি বালুমহাল ইজারার আওতায় রয়েছে সেগুলো হলো—জৈনকাছড়া, জাগছড়া (পশ্চিম অংশ), সুমইছড়া, নারায়ণছড়া, বৌলাছড়া ও বড়ছড়া। এর বাইরে ভুরভুরিয়াছড়া, খাইছড়া, শাওনছড়া, লংলিয়াছড়া, উদনাছড়া, বিলাসছড়া, পুটিয়াছড়া, নলুয়াছড়া, হুগলিয়াছড়া, গান্ধিছড়া, আমরইলছড়া, আলীয়াছড়া, মাকড়ীছড়া, শুয়ারীছড়া, পাত্রীয়াছড়া, জৈতাছড়া, ইছামতিছড়া, মুড়াছড়া, কালিছড়া, কলমছড়া, ফুলছড়া, গোপলাছড়া ও শিয়ালছড়াসহ বাকি মহালগুলো ইজারাবিহীন। ইজারাবিহীন ঘাট থেকে কারও বালু তোলার সুযোগ নেই বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার জানানো হয়েছে।
সমস্যার একটি বড় কারণ ভূগোল। উপজেলা প্রশাসনের ভাষ্য, শ্রীমঙ্গলের ছড়াগুলোতে উৎপন্ন হয় মূল্যবান সিলিকা বালু, আর প্রতিটি ছড়ার দৈর্ঘ্য আট থেকে দশ কিলোমিটার, কোনোটি তারও বেশি। এত দীর্ঘ এলাকা সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা কঠিন। প্রশাসনের একটি অভিযান শেষ হতে না হতেই একই জায়গায় আবার মেশিন বসে যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, উত্তোলনকারী চক্র সংগঠিত—তারা শ্রমিক লাগিয়ে বালু তুলে ট্রাক, পিকআপ, ট্রলি ও ঠেলাগাড়িতে সরিয়ে ফেলে এবং প্রশাসনের গাড়ি আসার আগেই খবর পেয়ে সটকে পড়ে; কর্মকর্তারা ফিরে যাওয়ার পরপরই আবার কাজ শুরু হয়।
সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক অভিযান হয়েছে, কিন্তু উত্তোলন থামেনি। গত ২৮ মার্চ সিন্দুরখান ইউনিয়নের লংলিয়াছড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে এবং প্রায় ৩০০ ঘনফুট বালু জব্দ করে। ২৪ এপ্রিল ভোরে মির্জাপুর ইউনিয়নে শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ছয়টি ট্রাক জব্দ করা হয়, যদিও ওই ট্রাকগুলোতে তখন বালু পাওয়া যায়নি। গত ৩০ জুন বিকেলে শহরের জালালিয়া সড়ক দক্ষিণ ও কালীঘাট সড়কের জোড়াপুল এলাকায় উপজেলা প্রশাসন ও পৌর প্রশাসন যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে অবৈধ বালু উত্তোলনকারী ও ছড়ার পাড় দখলদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়; ম্যাপ দেখে ছড়ার সীমানা নির্ধারণ করে অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত ও অপসারণের কথাও তখন জানানো হয়।
এর আগেও ধারাবাহিক অভিযানের নজির আছে। প্রশাসনের হিসাব অনুযায়ী, এক বছরে শ্রীমঙ্গলে ১৬টি নিয়মিত মামলা ও সাতটি মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালিত হয়েছিল; জব্দ করা বালু তিন দফায় নিলামে তোলা হয়, যার পরিমাণ ছিল ৭১ হাজার ২৮৫ ঘনফুট। রঘুনাথপুর কালীবাড়ি এলাকায় যৌথবাহিনীর অভিযানে ৫০০ ঘনফুট বালু জব্দ, সিন্দুরখান ইউনিয়নের সিক্কা ও ডোবাগাঁও এলাকায় দুটি অবৈধ ঘাট বাঁশের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৩ নম্বর শ্রীমঙ্গল ইউনিয়নের নোয়াগাঁও এলাকার জাগছড়া এবং দ্বারিকা পাল কলেজ-সংলগ্ন দক্ষিণ উত্তরসুর তালতলা গ্রামের ফুলছড়া থেকেও দীর্ঘদিন ধরে বালু তোলা হচ্ছে; ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপিও দিয়েছেন।
কিন্তু এত অভিযান, জব্দ ও জরিমানার পরও চক্র থামছে না কেন—এ প্রশ্নেই ফিরে আসে হিসাবের অসামঞ্জস্য। ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাধারণত ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকার জরিমানা হয়, মেশিন ধ্বংস বা ট্রাক জব্দ হয়। অথচ একটি ঘাট থেকে টানা কয়েক দিন বালু তুললেই সেই টাকা উঠে আসে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। ফলে জরিমানা অনেকটা ‘ব্যবসার খরচ’ হিসেবেই ধরে নেওয়া হচ্ছে। উল্লেখ্য, বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ (সংশোধিত ২০২৩) অনুযায়ী এর চেয়ে অনেক কঠোর দণ্ড দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। দেশের অন্যান্য জেলায় একই আইনে অবৈধ বালু উত্তোলনকারীকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়ার নজির রয়েছে। পাশের কুলাউড়ায় গত ৩ আগস্ট শরীফপুর ইউনিয়নের চাতলাপুর এলাকায় মনু নদে অভিযান চালিয়ে এক ইউপি সদস্য ও তাঁর ছেলেকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অবৈধভাবে বালু পরিবহনের দায়ে আরেকজনকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
আইনি দিক থেকে বিষয়টি আরও জটিল। খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর অনুমোদিত হিসাবে মৌলভীবাজার জেলায় সিলিকা বালুর কোয়ারি রয়েছে ৩৩টি। ২০১৩ সালের ১৮ জুনের প্রজ্ঞাপনে জেলার ৫১টি পাহাড়ি ছড়াকে সিলিকা বালু-সম্পৃক্ত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং এর মধ্যে ১৯টি অযান্ত্রিক পদ্ধতিতে বালু উত্তোলনের জন্য ইজারা দেওয়া হয়। অনিয়ন্ত্রিত উত্তোলনে পরিবেশ বিপর্যয়ের অভিযোগ তুলে ২০১৬ সালের ৮ মার্চ জনস্বার্থে রিট করে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)। শুনানি শেষে ২১ মার্চ হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণ (ইআইএ) ও পরিবেশগত ছাড়পত্র (ইসিসি) ছাড়া ওই ১৯টি বালুমহাল পরবর্তীতে ইজারা দেওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেন। বেলার সিলেট বিভাগীয় সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শাহ সাহেদা আক্তার বলেন, ইজারা ছাড়া বালু উত্তোলন সম্পূর্ণ অবৈধ; এটি ঠেকানোর দায়িত্ব প্রশাসনের। যাঁরা এই অবৈধ কাজের সুযোগ করে দিচ্ছেন, তাঁরা উচ্চ আদালতের রায়কে অবমাননা করছেন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
এই বালু-বাণিজ্যের পেছনে প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়া রয়েছে বলে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের ভাষ্য, সরকার যখন যে দলেরই হোক, ছড়ার বালু তোলার নিয়ন্ত্রণ থাকে ক্ষমতাসংশ্লিষ্ট একটি অংশের হাতে; অভিযানে চালক-শ্রমিক আটক হন, ট্রাক জব্দ হয়, কিন্তু মূল নিয়ন্ত্রকরা ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যান।
অনুসন্ধানে স্থানীয় একাধিক সূত্রের অভিযোগ, এই অবৈধ বালুমহালগুলো থেকে এলাকার কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতা, প্রশাসনের অংশবিশেষ এমনকি কিছু সংবাদকর্মীও নিয়মিত মাসোহারা পেয়ে থাকেন বলে চাউর রয়েছে। সূত্রগুলোর দাবি, এই আর্থিক সমঝোতার কারণেই অভিযান শেষ হওয়ামাত্র একই ঘাটে আবার উত্তোলন শুরু হয়ে যায়। তবে এসব অভিযোগ কোনো তদন্তে প্রমাণিত হয়নি এবং নির্দিষ্ট করে কারও নাম-পরিচয় এ পর্যন্ত সামনে আসেনি।
স্থানীয়দের বর্ণনায় এই চক্রের সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিকটি হলো তাদের নিজস্ব নজরদারি ব্যবস্থা। অভিযোগ অনুযায়ী, বালু উত্তোলনের ছড়ার আশপাশে বিভিন্ন বাজারে বালু ব্যবসায়ীদের ‘খবরদাতা’ বসিয়ে রাখা হয়, যারা লক্ষ্য রাখে কে বা কারা ওই এলাকায় যাতায়াত করছে। অবৈধ বালু উত্তোলনের খোঁজে সংবাদকর্মীরা কিংবা প্রশাসনের কেউ ওই এলাকায় ঢুকলেই মুহূর্তের মধ্যে মূল ব্যবসায়ীর কাছে খবর চলে যায়; তখন উত্তোলনকারীরা মেশিন বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যায় এবং সংশ্লিষ্টরা ফিরে যাওয়ার পর আবার কাজ শুরু হয়। প্রশাসন ও সাংবাদিকদের গতিবিধির ওপর এই চক্রের কড়া নজরদারি থাকে বলেই স্থানীয়দের অভিযোগ, আর এ কারণেই অনেক সময় ঘটনাস্থলে গিয়েও উত্তোলনের দৃশ্য চোখে পড়ে না।
রাজস্ব ক্ষতির প্রকৃত অঙ্ক কত, তার কোনো সরকারি হিসাব প্রকাশ করা হয়নি। তবে হাতে থাকা তথ্য থেকে একটি আনুমানিক চিত্র দাঁড় করানো যায়। প্রশাসনের হিসাব অনুযায়ী, এক বছরে জব্দ করা বালুই ছিল ৭১ হাজার ২৮৫ ঘনফুট—আর এটি মোট উত্তোলনের সামান্য একটি অংশ, যা কেবল ধরা পড়া চালান থেকে এসেছে। দেশের বাজারে সাধারণ বালুর দাম ঘনফুটপ্রতি ১৬ টাকার মতো, আর সিলিকা বালুর মূল্য এর চেয়ে বেশি। এই বাজারদর ধরলে কেবল জব্দ হওয়া ৭১ হাজার ঘনফুট বালুর মূল্যই দাঁড়ায় প্রায় ১১ লাখ টাকা।
জব্দ হওয়া অংশকে যদি সতর্কভাবে মোট উত্তোলনের এক-দশমাংশও ধরা হয়, তাহলে বছরে অন্তত সাত-আট লাখ ঘনফুট বালু ইজারার বাইরে থেকে উঠছে বলে ধরে নেওয়া যায়; বাজারমূল্যে যার অঙ্ক কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। এর সঙ্গে ইজারা না দেওয়া ২৫টি মহাল থেকে সরকারের প্রাপ্য ইজারামূল্য ও ভ্যাট-রাজস্বের ক্ষতি যোগ করলে বার্ষিক লোকসানের পরিমাণ আরও বড় হয়। উল্লেখ্য, এই হিসাব সম্পূর্ণ আনুমানিক এবং অনুমাননির্ভর; প্রকৃত ক্ষতি নিরূপণ করতে হলে ঘাটভিত্তিক দৈনিক উত্তোলনের পরিমাণ ও সরকারনির্ধারিত ইজারামূল্যের ভিত্তিতে সরকারি নিরীক্ষা প্রয়োজন। তবে যেটুকু নিশ্চিত, তা হলো—ইজারাবিহীন এই ২৫টি মহাল থেকে সরকারের আয় কার্যত শূন্য, অথচ সেখান থেকে প্রতিদিনই বালু উঠছে ও বিক্রি হচ্ছে।
ক্ষতি কেবল রাজস্বেরই নয়। অপরিকল্পিত উত্তোলনে ছড়ার পানির প্রাকৃতিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, ছড়ার পাড় ও পাশের টিলাভূমি ভেঙে পড়ছে, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে গ্রামীণ সড়ক, কালভার্ট ও কৃষিজমি। বর্ষায় কয়েকটি এলাকায় নতুন করে জলাবদ্ধতা ও প্লাবনের অভিযোগও উঠেছে।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিয়াউর রহমান জানান, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর শ্রীমঙ্গল ও এর পরিবেশ, ছড়া ও কৃষিজমি রক্ষায় সবার আন্তরিক সমর্থন ও সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি বলেন, বছরের পর বছর কতিপয় মানুষের অবিচারে এ মাটির প্রকৃতি আজ বিপন্ন হয়ে পড়েছে। বালু ও মাটির অভিযান সফল করতে অনেক সময়, শ্রম ও প্রত্যক্ষ সহযোগিতা প্রয়োজন হয়; স্থানীয় জনসাধারণ এগিয়ে না এলে কিংবা অভিযানে সহযোগিতা না করলে প্রত্যন্ত ও গভীর এলাকা থেকে বালু ও মেশিন উদ্ধার এবং জব্দ করা দুরূহ হয়ে ওঠে। যৌক্তিক সমালোচনার পাশাপাশি জনসাধারণের সমর্থন ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
শ্রীমঙ্গলের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সাংবাদিক এস কে দাস সুমন বলেন, এই প্রবণতা ঠেকাতে দুই দিক থেকে একসঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। তাঁর মতে, প্রথমত অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের এমন কঠোর শাস্তি ও জরিমানার আওতায় আনতে হবে, যা পরিশোধ করতে গিয়ে তারা এমনভাবে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় যে এ ধরনের কাজে আর আগ্রহ না থাকে; বর্তমানে যে অঙ্কের জরিমানা হয় তা তাদের কাছে ব্যবসার সামান্য খরচমাত্র। দ্বিতীয়ত, প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারি ও অনুসন্ধানের মাধ্যমে চালক-শ্রমিকের বদলে চক্রের মূল হোতাদের চিহ্নিত করে সরকারি সম্পদ ও পরিবেশ ধ্বংসের দায়ে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি বলেন, মূল নিয়ন্ত্রকরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকলে কেবল ঘাট বন্ধ করে বা যানবাহন জব্দ করে এই বাণিজ্য স্থায়ীভাবে থামানো যাবে না।
সমাধানের পথ হিসেবে প্রশাসনের কর্মকর্তারা নিজেরাই বলছেন, উপজেলার সব ছড়া বৈধ ইজারার আওতায় এলে অবৈধ উত্তোলনের প্রবণতা অনেকটা কমে আসবে। পাশাপাশি জনগণের সচেতনতা ছাড়া ছড়াগুলো রক্ষা করা কঠিন বলেও তাঁরা মনে করেন। অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং যারাই অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করবে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

 

সোস্যাল মিডিয়াতে দৈনিক জনতা