বৃহস্পতিবার | সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
প্রচ্ছদ সারাদেশ পাকুয়াখালী গণহত্যাদিবস : ৩০ বছরেও বিচার পায়নি নিহতের পরিবার

পাকুয়াখালী গণহত্যাদিবস : ৩০ বছরেও বিচার পায়নি নিহতের পরিবার

মোঃ এরশাদ আলী, লংগদু প্রতিনিধি : আজ ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পাকুয়াখালীতে বর্বরোচিত ৩৫ কাঠুরিয়া গণহত্যার তিন দশক। ১৯৯৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর রাঙ্গামাটির লংগদু ও বাঘাইছড়ি উপজেলার পাকুয়াখালীর গহীন জঙ্গলে নৃশংস ভাবে হত্যার শিকার ৩৫ কাঠুরিয়ার পরিবারের কাছে ভয়াবহ দিন। সেই সেই হত্যাযজ্ঞের সেই ঘটনাস্থল থেকে ২৮ জনের ক্ষত-বিক্ষত ও অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হলেও বাকি সাতজনের লাশের সন্ধান মেলেনি।

প্রতি বছর ৯ সেপ্টেম্বর এলেই নিহতদের স্বজনদের সেই নৃশংসতার দুঃসহ স্মৃতি মনে করিয়ে দেয় । কারও বাবা, কারও ভাই, কারও স্বামী কিংবা পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম মানুষ ছিলেন নিহতদের অনেকে। দীর্ঘ ৩০ বছর পরও তাদের শূন্যতা আজও পূরণ হয়নি। দীর্ঘ তিন দশক পরেও

বিচার না পাওয়ার নিহতের স্বজনদের কষ্টের অপেক্ষাকে আরও গভীর করেছে। তাদের অনেকেই মনে করেন, সময় যত গড়াচ্ছে, ন্যায়বিচারের প্রত্যাশাও ততটাই অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে।

সেদিনের ঘটনার পর তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের তিনজন শীর্ষ মন্ত্রী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে লংগদু উপজেলা মাঠে বক্তব্যে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায় বিচারের আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু তিন দশক পেরিয়ে গেলেও, বিচার আর সম্পন্ন হয়নি।

আজ ৩০ বছর পর নিহতদের পরিবার, সন্তান ও স্বজনদের মনে একটাই প্রশ্ন —এত বছর পরও কি তারা ন্যায়বিচার পাবে না ? এই নৃশংস, বর্বরোচিত হত্যার বিচার করতে সমস্যা কোথায়? তাদের দাবি নিহতের পরিবারের বাসস্থানের ব্যবস্থা ও অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হউক।

পাকুয়াখালী ট্র্যাজেডি দিবস শুধু অতীতের একটি ঘটনা স্মরণ করিয়ে দেওয়া দিন নয়। এটি দীর্ঘ তিন দশক ধরে বিচার না পাওয়া পরিবারগুলোর বুকফাঁটা কান্না, হৃদয়ের আর্তচিৎকার, প্রিয়জন হারানোর বেদনা, অপেক্ষা এবং ন্যায়বিচারের দাবিকে আবারও সামনে নিয়ে আসে।

সোস্যাল মিডিয়াতে দৈনিক জনতা