বিশ্বনাথ সিলেট থেকে মশিউর রহমান : পিরানহা’ মাছটি দেশীয় মাছের জন্য হুমকি স্বপরূপ। ক্ষতিকারক মানবদেহের জন্যও। তাই নিষিদ্ধ এ মাছের চাষ, মজুদ আর বেচাকেনা। তবুও বিশ্বনাথ উপজেলার বিভিন্ন বাজারে নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে হিংস্র স্বভাবের নিষিদ্ধ এ মাছ। সন্ধ্যার দিকে বাজারগুলো ঘুরে দেখা গেছে, বিক্রেতাদের কাছে অন্যান্য মাছের পাশাপাশি পিরানহা মাছও বিক্রি করছেন কয়েকজন ব্যবসায়ী। অধিক লাভের আশায়, অন্যান্য মাছের সাথে পসরা সাজিয়ে পিরানহা বিক্রি করছেন একাধিক বিক্রেতারা। এই মাছগুলো দেখতে রূপচাঁদার মতো হওয়ায় কিনে নিচ্ছেন অনেকেই।
সরেজমিন উপজেলার নতুন বাজার ও পুরানবাজারসহ আঞ্চলিক বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।
বিক্রেতাদের অনেকেই জানান, মৎস্য আড়তে হর হামেশা দেদারছে এ মাছ বিক্রি হয়।
অল্প আয়ের মানুষের কাছে মাছটির কদর বেশ। তাই আমরাও কিনে এনে বিক্রি করি। নিষিদ্ধ কি সিদ্ধ তা আমাদের জানা নেই।
ক্রেতাদের দাবি, অন্যান্য মাছের তুলনায় দাম সাধ্যের মধ্যে থাকায় খরিদ করি।এটি যে আসলেই ক্ষতিকর সে বিষয়ে আমরা অবগত নই। অনেক সময় এটিকে রূপচাঁদা বলেও আমাদের ধরিয়ে দেয়া হয়।
মৎস্য সুরক্ষা আইন বলছে,মানুষ খেকো এ মাছ আমদানি, বহন, প্রজনন, চাষ, বিক্রি, বাজারজাত, প্রদর্শন ও মজুত নিষিদ্ধ। মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিধিমালা, ১৯৮৫-এর ১৬ নম্বর বিধিতে এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। ২০০৮ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি
পিরানহা মাছ বাংলাদেশে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়।
এ বিষয়ে কথা হলে বিশ্বনাথ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাহিদ বিন কাশেম বলেন, বাজার মনিটরিংয়ের আওতায় শিগগিরই অভিযান (ভ্রাম্যমাণ আদালত) পরিচালনা করা হবে।
