মোহাম্মদ কামরুজ্জামান জুয়েল কুলাউড়া মৌলভীবাজার : মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় আবাসিক এলাকা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে করাতকল পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের অবস্থান, অনুমোদন এবং পরিবেশগত প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা ও সংশ্লিষ্ট স্থানের আইনগত অবস্থান নির্ধারণে সরেজমিন তদন্ত প্রয়োজন।
করাতকল পরিচালনার ক্ষেত্রে শব্দ, কাঠের গুঁড়া, ধুলাবালি ও কাঠ পরিবহনের কারণে আশপাশের পরিবেশে প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কাছাকাছি কোনো করাতকল থাকলে প্রযোজ্য বিধিবিধান মেনে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা যাচাই করা জরুরি।
কুলাউড়ার কয়েকটি করাতকলের লাইসেন্স ও পরিবেশগত ছাড়পত্র নিয়ে অনুসন্ধানের সময় অসংগতি থাকার অভিযোগ সামনে এসেছে। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি পুরোনো পরিবেশগত ছাড়পত্র দেখিয়েছেন। তবে নথিপত্র যাচাই ছাড়া এসব প্রতিষ্ঠানের অনুমোদনের অবস্থা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়।
স্থানীয়দের দাবি, উপজেলা প্রশাসন, বন বিভাগ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের সমন্বয়ে করাতকলগুলোর অবস্থান ও অনুমোদন যাচাই করা হোক। অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ এবং করাতকলের মালিকপক্ষের বক্তব্য নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করা প্রয়োজন।
পরিবেশগত শর্ত লঙ্ঘন বা আইনবহির্ভূত কার্যক্রমের প্রমাণ পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল।
কুলাউড়ার করাতকলগুলোর অবস্থান ও পরিবেশগত প্রভাব নিয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রকাশ করা গেলে স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্বেগ নিরসনের পাশাপাশি প্রশাসনিক জবাবদিহিও নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
