মঙ্গলবার | অক্টোবর ২৭, ২০২৬
প্রচ্ছদ সারাদেশ পরিবর্তনের রূপরেখা নিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে সমাজসেবক আবুল বশর সিআইপি

পটিয়া পৌরসভা নির্বাচন:

পরিবর্তনের রূপরেখা নিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে সমাজসেবক আবুল বশর সিআইপি

পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: আসন্ন পটিয়া পৌরসভা নির্বাচনে হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন আবুধাবি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, হাজী আবদুস সাত্তার ফাউন্ডেশন ও মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা বিশিষ্ট শিল্পপতি আলহাজ্ব মুহাম্মদ আবুল বশর সিআইপি।

পৌরবাসীর দীর্ঘদিনের দুঃখ-কষ্ট লাঘব ও একটি আধুনিক জনপদ গড়ে তোলার প্রত্যয় নিয়ে দলীয় কর্মী-সমর্থক ও সর্বস্তরের জনগণকে সাথে নিয়ে দিনরাত নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন তিনি। এলাকায় ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’ হিসেবে পরিচিত সিআইপি আবুল বশর দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, খেলাধুলা, মসজিদ, মন্দিরসহ বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনুদান এবং উপহার সামগ্রী বিতরণ করে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন।

তার এই বিশাল নির্বাচনী কর্মযজ্ঞ ও মাঠপর্যায়ের প্রচার-প্রচারণা নিখুঁতভাবে দেখাশোনা করছেন এলাকার তরুণ ও উদীয়মান নেতা এবং বিএনপি তৃণমূল পর্যায়ের বিশাল কর্মী বাহিনী।

সবুজ ও আধুনিক পৌরসভার রূপরেখা:
পটিয়া পৌরসভাকে একটি মডেল ও বাসযোগ্য শহর হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়ে সিআইপি আবুল বশর বলেন, “পটিয়া পৌরসভার অন্যতম বড় সমস্যা বর্জ্য ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা। আমি বিজয়ী হলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন করে মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব করব। পটিয়াকে একটি বৈষম্যমুক্ত, অবহেলিত এলাকার উন্নয়ন সংবলিত, সুশাসন ও জবাবদিহিমূলক পৌরসভা হিসেবে গড়ে তোলাই আমার মূল লক্ষ্য।” এছাড়াও তিনি নারীর উন্নয়ন এবং জন্ম-মৃত্যু সনদ পাওয়ার ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের হয়রানি বন্ধ করার ঘোষণা দেন।

সম্মানি ভাতা মাজার-এতিমখানায় দানের ঘোষণা:
তিনি আরও বলেন, “আমি শাসক নয়, সেবক হতে চাই। মহান আল্লাহ আমাকে যে সহায়-সম্পত্তি দিয়েছেন, তার জন্য আমি শুকরিয়া আদায় করছি। মেয়র পদের সম্মানি ভাতার একটি টাকাও আমি নিজের জন্য খরচ করব না। পুরো সম্মানি ভাতা আমি বিভিন্ন মাজার, মসজিদ, মন্দির ও এতিমখানায় দান করে দেব।”

নেতৃত্বের সুদৃষ্টি ও দলের প্রতি আস্থা:
পটিয়ার বর্তমান সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এনামুল হক এনাম-এর সুদৃষ্টি কামনা করে সিআইপি আবুল বশর বলেন, “আমি প্রতিহিংসার রাজনীতি করি না। আমি কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। করোনাকালীন কঠিন সময়েও আমি যেভাবে মানুষের পাশে খাদ্য সামগ্রী নিয়ে দাঁড়িয়েছি, ভবিষ্যতেও পটিয়ার প্রয়োজনে আমার সর্বোচ্চ উজাড় করে দেব। আমার বিশ্বাস, দল আমার ত্যাগ ও জনভিত্তিকে শতভাগ মূল্যায়ন করবে।পটিয়া পৌরসভার তিলোত্তমা নগরী গড়ে তুলতে তিনি সর্বস্তরের জনগণের দোয়া, সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেন।

সোস্যাল মিডিয়াতে দৈনিক জনতা