শুক্রবার | অক্টোবর ৩০, ২০২৬
প্রচ্ছদ সারাদেশ ঝুঁকি এড়াতে ২০০ মিটার এলাকায় নিরাপত্তাবেষ্টনী, নমুনা সংগ্রহ করেছে বাপেক্স

উখিয়ায় ৪৮ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন :

ঝুঁকি এড়াতে ২০০ মিটার এলাকায় নিরাপত্তাবেষ্টনী, নমুনা সংগ্রহ করেছে বাপেক্স

এইচ এন আলম, কক্সবাজার : কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে গভীর নলকূপ স্থাপনের সময় ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসে লাগা আগুন ৪৮ ঘণ্টা পরও নেভানো সম্ভব হয়নি। আগুনের বিস্তার ও সম্ভাব্য দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে ঘটনাস্থলের চারপাশে ২০০ মিটার এলাকাজুড়ে নিরাপত্তাবেষ্টনী নির্মাণ করছে উপজেলা প্রশাসন।

এদিকে গ্যাসের প্রকৃতি ও উপাদান নির্ণয়ে ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি (বাপেক্স)।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের ছোটখাল সেতুসংলগ্ন এলাকায় আগুনের উৎসস্থল ঘিরে নিরাপত্তাবেষ্টনী নির্মাণের কাজ শুরু হয়।

এদিকে আগুনের শিখা বৈদ্যুতিক তারে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় মনখালী থেকে পাটুয়ারটেক পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বন্ধ রাখা বিদ্যুৎ সরবরাহ ৩৬ ঘণ্টা পর স্বাভাবিক হয়েছে।

গত মঙ্গলবার ভোর সোয়া ৬টা থেকে বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েন ওই এলাকার প্রায় চার হাজার পরিবারের বাসিন্দা। বুধবার রাতে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু হলেও দীর্ঘ সময়ের ভোগান্তিতে পড়েন তাঁরা।

স্থানীয় ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ইনানী ছোটখাল সেতুসংলগ্ন এলাকায় মোহাম্মদ আবদুল্লাহর বসতভিটায় গভীর নলকূপ স্থাপনের কাজ চলছিল। এ সময় মাটির নিচ থেকে তীব্র বেগে গ্যাস বের হতে শুরু করে। একপর্যায়ে তাতে আগুন ধরে যায়।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। তবে ভূগর্ভ থেকে অবিরাম গ্যাস বের হতে থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।

পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও গ্যাসের প্রকৃতি নির্ণয়ে বুধবার বিকেলে ঘটনাস্থলে যান বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দলের সদস্যরা। তাঁরা গ্যাসের নমুনা সংগ্রহ করেন।

বাপেক্সের ব্যবস্থাপক (ভূতত্ত্ব) ও ভূতাত্ত্বিক জরিপ দলের প্রধান এস এম নাফিফুন আরহাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নলকূপ খননের সময় প্রায় এক হাজার ফুট গভীরে গ্যাসের স্তরের কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়া হয়েছিল। সেখান থেকে ভূগর্ভের ফাটল দিয়ে গ্যাস ভূপৃষ্ঠে উঠে আসতে পারে।

সোস্যাল মিডিয়াতে দৈনিক জনতা