কক্সবাজার প্রতিনিধি: কক্সবাজার শহরের সমিতিপাড়া এলাকার ৬ ও ৭ নম্বর গলির নিচে অবস্থিত সরকারি ঝাউবাগানের জমি অবৈধভাবে দখলের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি জানানো হলে কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে দখলকৃত অংশ উচ্ছেদ করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতের অন্ধকারে একদল ব্যক্তি সরকারি বনভূমির জমি দখলের উদ্দেশ্যে সেখানে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ ও মাটি ভরাটের কার্যক্রম পরিচালনা করে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র সরকারি ঝাউবাগানের জমি দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছিল।
অভিযোগে যাদের নাম উঠে এসেছে তাদের মধ্যে রয়েছেন মনজুরা বেগম (স্বামী-মো. কাসেম), মো. সোহেল (পিতা-মো. কাসেম), মুজিব, মুজিবের স্ত্রী, আতিক (পিতা-মুজিব) এবং আরও ৫-৬ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি। স্থানীয়দের দাবি, এদের মধ্যে কয়েকজন বন বিভাগের বিভিন্ন মামলার আসামি হিসেবেও পরিচিত।
বিষয়টি অবহিত করা হলে কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) আব্দুল্লাহ আল মামুন ঘটনাটির সত্যতা যাচাই করেন। পরে তাঁর নির্দেশনায় বন বিভাগের একটি দল ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করে অবৈধভাবে দখল করা অংশ উচ্ছেদ করে এবং সরকারি জমি পুনরুদ্ধার করে।
এ বিষয়ে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “সরকারি বনভূমি দখলের কোনো সুযোগ নেই। অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সত্যতা পাওয়া গেছে। পরবর্তীতে অভিযান পরিচালনা করে দখলকৃত অংশ উচ্ছেদ করা হয়েছে। বনভূমি রক্ষায় আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
স্থানীয় বাসিন্দারা বন বিভাগের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, সরকারি বনভূমি ও পরিবেশ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা প্রয়োজন। তারা ভবিষ্যতে যাতে কেউ সরকারি জমি দখলের চেষ্টা করতে না পারে সে বিষয়ে কঠোর নজরদারির দাবি জানান।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সরকারি বনভূমি দখলের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
