মনোয়ার হোসেন সোহেল ঘাটাইল ( টাঙ্গাইল ) প্রতিনিধি: একসময় দিনমজুরের কাজ করে সংসার চালাতে হিমশিম খেতো, রাজ্জাক ও তার সহোদর সায়েদ আলীর। অনেক কষ্টে দুই বেলা দুই মুঠো ভাত যোগাতে হতো।
দুঃখ কষ্ট দূর করতে বেছে নেয় মাদকের অন্ধকার জগৎ । এতে করে হাতে আসে অঢেল টাকা। গ্রামের কুঁড়ে ঘর ভেঙ্গে সেখানে শোভা পায় চার তলা পাকা বাড়ি। এতে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ঘটনাটি ঘটেছে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সাগরদিঘী ইউনিয়নের হাতিমারা এলাকায় ।
বর্তমানে রাজ্জাকের বিরুদ্ধে ৬, তার স্ত্রী রওশনারার বিরুদ্ধে ২ এবং ভাই ছায়েদ আলীর বিরুদ্ধে ৯টি মাদক মামলা করেছে পুলিশ । সর্বমোট ১৭ টি মামলা রয়েছে ।
অনুসন্ধানে জানা যায়, সায়েদ আলী ইয়াবা ও হেরোইন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, আর রাজ্জাক গাঁজা বিক্রির সঙ্গে সম্পৃক্ত।
মাদক ব্যবসার মাধ্যমে অর্জিত অর্থে সায়েদ আলী হাতিমারা এলাকায় একটি চারতলা ভবন নির্মাণ করেছেন। একই এলাকায় রাজ্জাকও একটি একতলা পাকা ভবন নির্মাণ করেছেন। তাদের আয়ের-উৎস ও সম্পদের দ্রুত বৃদ্ধি নিয়ে এলাকায় নানা প্রশ্ন ও আলোচনা রয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, গ্রেফতারের পরেও তারা আবার জামিনে মুক্ত হয়ে পূর্বের কার্যক্রমে জড়িয়ে পড়েন, ফলে এলাকায় মাদকের বিস্তার কোন ভাবেই থামানো যাচ্ছে না।
একাধিক মাদক মামলা থাকা সত্ত্বেও জামিনে খুব তাড়াতাড়ি কি ভাবে ছাড়া পেয়ে যাচ্ছেন । বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে এলাকায়।
রাজ্জাক ও সায়েদ আলী মাদকের বিষয়ে স্বীকার করে বলেন আমার বিরুদ্ধে মাদক মামলা রয়েছে এই সব অনেক আগে করেছি। এখন আর করা হয়না ।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ফৌজিয়া হাবিব খান ( গোপালপুর সার্কেল ) বলেন, মাদক নিয়ে আমরা থানা পুলিশ সহ কাজ করে যাচ্ছি আশা করি শীঘ্রই মাদকমুক্ত হবে ঘাটাইল।
