মঙ্গলবার | নভেম্বর ৩, ২০২৬
প্রচ্ছদ সারাদেশ কাঁচপুর–ইলিশা নৌপথে নতুন দিগন্ত: ‘বেগম রোকেয়া’ পরিদর্শন শেষে বিআইডব্লিউটিসি চেয়ারম্যানের একগুচ্ছ আশ্বাস

কাঁচপুর–ইলিশা নৌপথে নতুন দিগন্ত: ‘বেগম রোকেয়া’ পরিদর্শন শেষে বিআইডব্লিউটিসি চেয়ারম্যানের একগুচ্ছ আশ্বাস

স্টাফ রিপোর্টার : কাঁচপুর–ইলিশা নৌপথে চালুর পর ‘বেগম রোকেয়া’ ফেরি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) চেয়ারম্যান এ টি এম আব্দুল বারী ড্যানী। এ সময় তিনি ফেরির বিভিন্ন স্তরের কর্মপরিবেশ ঘুরে দেখেন এবং কর্মরত শ্রমিক, কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।

বৃহস্পতিবার ৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় চেয়ারম্যান কর্মীদের সুবিধা-অসুবিধা ও বিভিন্ন দাবির কথা শোনেন। একই সঙ্গে যেকোনো সমস্যা বা হয়রানির কথা সরাসরি ও গোপনীয়তার সঙ্গে জানাতে ফেরিতে একটি ‘অভিযোগ বক্স’ স্থাপনের ঘোষণা দিয়ে তা দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন।
ঢাকার কাঁচপুর থেকে ভোলার ইলিশা পর্যন্ত নতুন এ নৌপথে যাত্রী ও যানবাহন পৌঁছাতে সময় লাগছে প্রায় ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা। নতুন এ সার্ভিসের মাধ্যমে ভোলাসহ দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের সরাসরি যোগাযোগের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
পরিদর্শনকালে বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান এ টি এম আব্দুল বারী ড্যানী বলেন, “দেশের জনগণ সবার আগে। জনগণ যাতে নির্বিঘ্নে ও স্বস্তিতে নৌপথে যাতায়াত করতে পারে, সে বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।”
দীর্ঘ পথযাত্রায় চালক ও শ্রমিকদের স্বস্তির ওপর জোর দিয়ে তিনি আরও বলেন, “ফেরিতে অবস্থানের সময় চালক ও পরিবহন শ্রমিকদের আরামদায়ক যাত্রা, নামাজের সুব্যবস্থা, বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের নিশ্চয়তা এবং বিশ্রামের সুবিধা থাকা প্রয়োজন। চালকরা সতেজ ও স্বস্তিতে থাকলে সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বহুলাংশে কমে আসবে।”
পরিদর্শনের সময় চেয়ারম্যানের সাথে বিআইডব্লিউটিসির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মাঠপর্যায়ে প্রতিষ্ঠানপ্রধানের এমন সরাসরি উপস্থিতি, অভিযোগ বক্স স্থাপনের উদ্যোগ এবং কর্মীবান্ধব মনোভাবকে সংস্থাটির স্বচ্ছতা ও সেবার মান বাড়াতে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও সাধারণ যাত্রীরা।

সোস্যাল মিডিয়াতে দৈনিক জনতা