শুক্রবার | সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
প্রচ্ছদ সারাদেশ পিরোজপুরে ৩০ টি আঙ্গুল নিয়ে নবজাতকের জন্ম, ৪৮ঘন্টা পরে মৃত্যু

পিরোজপুরে ৩০ টি আঙ্গুল নিয়ে নবজাতকের জন্ম, ৪৮ঘন্টা পরে মৃত্যু

এস,এম সিপার, পিরোজপুর প্রতিনিধি: পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ড্রিম হেলথ ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ইসমাইল – জেসমিন দম্পতির কোলে হাত ও পায়ে ৩০টি আঙুল নিয়ে জন্ম নেওয়া বিরল নবজাতক শিশুটির মৃত্যু হয়েছে জন্মের ৪৮ ঘন্টার মধ্যে। বৃহস্পতিবার(১১ জুন) উপজেলার বড় মাছুয়া ইউনিয়নের ভোলমারা গ্রামের বাড়িতে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় গ্রাম পুলিশ মনির খান।

জন্ম নেওয়া ক্লিনিক ও পরিবারিক সূত্রে জানা
গেছে, গত ৯ জুন রাতে উপজেলার বেসরকারি ড্রিম হেলথ ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে
ইসমাইল-জেসমিন দম্পতির কোলে ৫ম সন্তান হিসেবে শিশুটির জন্ম হয়। বিরল শারীরিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে জন্ম নেওয়া নবজাতক দুই হাত
ও পায়ে সাধারনের চেয়ে অতিরিক্ত ৩০টি আঙুল নিয়ে জন্ম গ্রহন করেছিল।

ড্রিম হেলথ ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ( আর এমও) ডাঃ সাব্বির আহম্মেদ শিবলী জানান, চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায়
অতিরিক্ত আঙ্গুল নিয়ে জন্ম নেওয়াকে
পলিড্যাকটিলিজম ( POLYDACTYLY)
বলা হয়। ডাঃ শিবলী হাতে ও পায়ে ৩০টি আন্গুল নিয়ে নবজাতক শিশুটির জন্ম
হয়েছিল সেটা নিশ্চিত করেছেন।

মৃত নবজাতকের পিতা ইসমাইল পালোহন উপজেলার বড় মাছুয়া ইউনিয়নের ভোলমারা গ্রামের বাসিন্দা, তিনি পেশায় একজন দিনমজুর। মা গৃহিণী জেসমিন আক্তারের কোলে আলো হয়ে এসেছিল পঞ্চম সন্তান হিসেবে শিশুটি। জন্মের পরপরই বিরল বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুটিকে দেখতে হাসপাতালে ও পরবর্তীতে বাড়িতে আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশীসহ দূর-দূরান্ত থেকে কৌতূহলী মানুষ ভিড় করেন বাড়ীতে। তবে শারীরিক নানা জটিলতার কারনে পৃথিবীর আলো দেখার মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে শিশুটি।

শিশুটির আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

সোস্যাল মিডিয়াতে দৈনিক জনতা