রিয়াজ উদ্দিন, কক্সবাজার প্রতিনিধি: উখিয়ার কুতুপালং ৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী ও এক শিশুপুত্রকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী এহেছানুল হকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন তাদের আরেক সন্তান। অভিযুক্ত ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে।গতকাল বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাত দেড়টার দিকে কুতুপালং ৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি ব্লকে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। ক্যাম্পে দায়িত্বে থাকা ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে।
নিহতরা হলেন এহেছানুল হকের স্ত্রী শহীদা নুর ওরফে সুফিয়া (৩০) এবং পাঁচ বছর বয়সী ছেলে মোহাম্মদ শামীম। গুরুতর আহত বড় ছেলে মো. আফছার ওরফে বাপ্পী (১৪) বর্তমানে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
রোহিঙ্গা নেতা মোহাম্মদ হুসাইনের ভাষ্য অনুযায়ী, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে এহেছানুল ধারালো দা দিয়ে স্ত্রী ও দুই ছেলেকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করেন। এতে ঘটনাস্থলেই সুফিয়া ও শিশু শামীমের মৃত্যু হয়। আহত বাপ্পীকে প্রথমে কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ জানায়, ঘটনার প্রকৃত কারণ ও অন্যান্য বিষয় তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
