শুক্রবার | সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
প্রচ্ছদ সারাদেশ চরফ্যাশনে জমি দখল, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে স্থানীয়দের ক্ষোভ

চরফ্যাশনে জমি দখল, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে স্থানীয়দের ক্ষোভ

ভোলা দক্ষিণ প্রতিনিধি: ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার উত্তর মাদ্রাসা এলাকার ওয়ারিশদের জমি জাল জালিয়াতির মাধ্যমে জোরপূর্বক ভোগ দখলের অভিযোগ উঠেছে। সাখাওয়াত হোসেন মিলন, (পিতা মৃত আব্দুল বারেক) সাবিনা ইয়াসমিন,(পিতা:মৃত আঃ সালাম) মোসলেউদ্দিন গং (পিতা মৃত শামসুদ্দিন মাস্টার) সহ তাদের বিরুদ্ধে। অভিযোগে বলা হয়েছে। তারা আইনের তোয়াক্তা না করে প্রতারণা ও জবরদস্তি মাধ্যমে জমি দখল করে ভোগ দখল করে আসছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উত্তর মাদ্রাজ মৌজার এস এ খতিয়ান নং ১২৮/১২৯ /১৩০/১৩১/১৩২ এবং হাল বি,এস খতিয়ান নং ২৬৬ এর আওতাধীন একাধিক জমি নিয়ে এ বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট জমির দাগ নম্বর হিসেবে ডিপি ২৬৬/২৬৭ ১৩৯৫ ও ১৬৯৭ উল্লেখ করা হয়েছে, সেখানে মোট কয়েক একর জমি জবরদখলের অভিযোগ রয়েছে।
ভুক্তভোগীদের পক্ষে থেকে এটুনি পাওয়ার দেওয়া হয়েছে মোহাম্মদ কাসেম মিয়াকে।(পিতা: মৃত: আব্দুল আলিমকে আরো তাদের মধ্যে রয়েছেন মৃত মোহাম্মদ শফিউল্লাহর উত্তরাধিকারী মোহাম্মদ বেলাল ও হেলাল গংরা। তাদের দাবি, বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও অভিযুক্তরা জাল দলিল তৈরি করে জমি নিজেদের দখলে নিয়েছেন এবং দীর্ঘদিন ২৫/৩০ বছর ধরে তা ভোগ করছেন। তারা আরো বলেন,বিবাদী পক্ষরা সাখাওয়াত হোসেন মিলন, (পিতাঃ আব্দুল বারেক,) সাবিনা ইয়াসমিন (পিতাঃ মৃত আব্দুস সালাম) মোসলে উদ্দিন উদ্দিন, (পিতা মৃতঃ শামসুদ্দিন মাস্টার) এরা আসলে ভূমিদস্যু মানুষের জমি জমা জ্বাল জ্বালিয়াতি করে এবং দখল করে জমি-জমা খাওয়া তাদের নিত্যদিনের অভ্যাস। তারা কিছু লাঠিয়াল বাহিনীর সহ সাথে নিয়ে জমি জমা জোর জবরদস্তি করে ক্ষমতার অপব্যবহার করে মানুষের জমি লুটেপুটে খাচ্ছে বলে জানা যায় ।
অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন, সাখাওয়াত হোসেন মিলন, (পিতাঃ-মৃত আব্দুল বারেক,) সাবিনা ইয়াসমিন। (পিতা:মৃত আব্দুস সালাম) মুসলেউদ্দিন গংরা (পিতা:মৃত শামসুদ্দিন মাস্টার)
ভুক্তভোগীরা আরও জানান উত্তর মাদ্রাজ মৌজার এস এ ৭টি খতিয়ান রেকর্ডীয় ও সম্পত্তির মালিক মৃত আব্দুল হাই ওয়ারিশ গনরা ওয়ারিশ হিসেবে মালিকানা সাজিয়ে বিভিন্ন লোকদের নিকট জমি বিক্রয় করিয়া ১.৩৬ শতাংশ জমি মালিকানা বিদ্যমান আছেন। উক্ত সম্পত্তির উল্লেখিত ব্যক্তিগন দীর্ঘ ২০ থেকে ২৫ বছর ধরে জোর জবরদস্তি করে ভোগ দখল করিতেছে।
তারা আরো বলেন এই পর্যন্ত তিন থেকে চার পাঁচ বার বিচার সাল্লিশিতে বসে তারা সবকিছুই মেনে নিয়ে পরে রয়েদাতনামাতে সই দিয়েছেন তারা। সই দিয়েও বাদী পক্ষকে জমি দিচ্ছে না। তার মানিবোঝা যায় যে,(বিচার মানি তালগাছ আমার)।
আমরা বারবার অনুরোধ করে ও কোন সমাধান না পেয়ে আইনে আশ্রয় নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা যায়, এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন, যাতে প্রকৃত মালিকরা তাদের ন্যায্য অধিকার ফিরে পান এবং জাল জালিয়াতিদের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় বলে তারা জোর দাবী জানিয়েছেন।

সোস্যাল মিডিয়াতে দৈনিক জনতা