মীর সাজু,ভোলা দক্ষিণ প্রতিনিধ।। ভোলা জেলার লালমোহন উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডে জমি দেয়ার প্রোলবন দেখিয়ে ১১ লাখ টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে এক মাদ্রাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত আল আমিন মাস্টার, তিনি স্থানীয় আলমগীর মিয়ার নামে পরিচালিত একটি মাদ্রাসার শিক্ষক হিসেবে পরিচিত।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, একই এলাকার বাসিন্দা সিরাজুল হক মিয়ার কাছে ৭ শতাংশ জমি ও তাতে নির্মিত একটি বিল্ডিং ও জমি সহ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন আলামিন মাস্টার। বিশ্বাস অর্জনের মাধ্যমে ধাপে ধাপে তার কাছ থেকে মোট ১১ লাখ টাকা নেন তিনি। তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও জমি হস্তান্তর না করে বিভিন্ন অজুহাতে সময় ক্ষেপণ করতে থাকেন।
ভুক্তভোগী সিরাজুল হক মিয়া অভিযোগ করে বলেন, আমাকে জমি ও বিল্ডিং দেওয়ার কথা বলে আমার কাছ থেকে ১১ লাখ টাকা নিয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত কোন জমি আমি বুঝ পাইনি, জমির পরিবর্তে টাকাও ফেরত পাইনি আমি বরং ঘুরিয়ে ফিরিয়ে সময় নষ্ট করে আমাকে হয়রানি করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে।এলাকাবাসী দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আলামিন মাস্টারের মুঠোফোন ফোন দিলে তার স্ত্রী ফোন রিসিভ করে বলেন,তিনি বলেন আমি ঢাকায় আছি তার মোবাইল ফোন আমার কাছে। তবে তিনি ফোন ব্যবহার করেন না সমস্যা আছে বলে তিনি এ কথা বলেন।
তবে স্থানীয়রা বলছেন, এমন প্রতাররনামূলক কর্মকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার না হলে আরো মানুষ ভবিষ্যতে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দ্রুত তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী।
১১৪
