গত ৩০ আগস্ট ২০২৬ ইং তারিখ দৈনিক জনতা’য় ‘দুর্নীতির অভিযোগ, বদলি, আবার পুনর্বহাল’ শিল্পকলা একাডেমির কর্মকর্তা এস এম শামীম আকতারের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম, অসঙ্গতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ করেছেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উপপরিচালক এস.এম. শামীম আকতার। তিনি প্রতিবাদ লিপিতে দাবি করেছেন, প্রকাশিত সংবাদটি মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর। প্রকাশিত সংবাদে সরকারি নথিপত্র ও প্রকৃত তথ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
প্রতিবেদনে উল্লিখিত রাজশাহীর ঘটনাটি ২০০৯ সালে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া সংক্রান্ত একজন কর্মচারীর আমার বিরুদ্ধে আনীত আবেদন। তদন্তে তা ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়েছে। সেই তদন্ত প্রতিবেদনটি আমার কাছে সংরক্ষিত আছে। এছাড়া ২০১৭ সালে পুনর্বহাল সংক্রান্ত তথ্যটিও অসত্য। এমন কিছু ঘটেনি।
তিনি দাবি করেছেন, স্থায়ী ঠিকানা সংক্রান্ত তথ্যও ভুল। আমার জন্মনিবন্ধন, এনআইডি, পাসপোর্ট, টিআইএনসহ সকল সরকারি নথিতে সঠিক ঠিকানা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। সম্মানহানির উদ্দেশ্যে কারো প্ররোচনায় এ ধরনের ভিত্তিহীন তথ্য পরিবেশন করা সাংবাদিকতার নৈতিক স্খলন। সংবাদ প্রকাশের পূর্বে আমার বক্তব্য গ্রহণ করা হয়নি। বরং প্রতিবেদকের নিজস্ব ব্যাখ্যাকে আমার বক্তব্য বলে চালানো হয়েছে। প্রকাশের পর যোগাযোগের চেষ্টা করেও প্রতিবেদকের কোনো সাড়া মেলেনি। হাজিরা-সংক্রান্ত বিষয়টি অনেক আগেই নিষ্পত্তিকৃত দাপ্তরিক বিষয়। একে নতুন করে অভিযোগ হিসেবে উপস্থাপন করা বিভ্রান্তিকর। আমার সম্পত্তি ও আর্থিক সামর্থ্য সংক্রান্ত তথ্যও অসত্য। আমার আয়কর নথি দেখলেই তা প্রমাণিত হবে। এছাড়া নারী কর্মকর্তাকে হুমকি প্রদানের যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তাতে ভুক্তভোগীর পরিচয়, সময় বা প্রেক্ষাপট সম্পর্কে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই। আমার সাথে এমন কোনো ঘটনাই ঘটেনি। যথাযথ যাচাই ছাড়া এমন গুরুতর অভিযোগ প্রকাশ দায়িত্বহীন সাংবাদিকতার দৃষ্টান্ত। এর মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে আমার সম্মানহানি করা হয়েছে। তাই তিনি প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ করেছেন।
৭৭
