ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি: তেজগাঁও রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্স উওরা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের সাবেক আইনমন্ত্রীর আশীর্বাদপুষ্ট দাপটেরা এখনো দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। ঝাড়ুদার মঞ্জু এবং নকল নবীশ সাহেদ সামন্য ঝাড়ুদার হয়ে রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল নিরীক্ষা সহ সব ধরনের দলিল ঘষা-মাজা করছে এমন কি এজলাসের সাব রেজিস্ট্রারের পাশে দাড়িয়ে দলিল চেক করা সহ তার আঙ্গুলের ইশারায় সাব রেজিস্ট্রার দলিল রেজিস্ট্রি করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ১২/০৯/২০১১ ইং তারিখে অধিদপ্তরে ৭৮১ নং স্বারকে দৈনিক ৬০ টাকা মজুরি ঝাড়ুদার পদে নিয়োগ পান আব্দুল বারেকের ছেলে মঞ্জু।
এরপর থেকে স্বৈরাচার সরকার আওয়ামীলীগের ক্ষমতা প্রভাব খাটিয়ে আধিপত্য বিস্তার শুরু করে মঞ্জু, আর এই আধিপত্য বিস্তারকে আরও শক্তিশালী করার জন্য নকল নবীশ সাহেদকে নিয়ে তার সঙ্গী হিসাবে নানা অপকর্ম করে ঘুষ দুর্নীতি করে যাচ্ছে দেধারছে। মঞ্জুর দৈনিক কাজ অফিসে ঝাড়ু দেওয়া হলেও সে উত্তরার বড় বড় হাউজিং কোম্পানি, ডেভেলপার কোম্পানির বড় দলিল গুলো রেজিস্ট্রি করে ঝাড়ুদার মঞ্জু এবং নকল নবীশ সাহেদ হয়েছে কোটি কোটি টাকার মালিক, তাদের রয়েছে বাড়ি, গাড়ি ও ফ্ল্যাট, জেলা রেজিস্ট্রার আশীর্বাদপুষ্ট হয়ে ঝাড়ুদার হয়ে কাজ করে ওমেদারের।
স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ সরকারের সময় ২০২২ সালে তার ভাগিনা রাজীবকে কর্তৃপক্ষের অনুমোদন না নিয়ে উত্তরা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে নকল নবীশ হিসাবে যোগদান করান। আওয়ামীলীগ সরকারের পতন হলেও তাদের আশীর্বাদপুষ্ট লোকজন এখনো রয়েছে স্বদাপটে। সরকারের অনুমোদনবিহীন রাজীব কি করে কাজ করছে উত্তরা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে। ৬০×৩০=১৮০০ টাকা) মাসে তার মোট বেতন আসে ১৮০০ টাকা যা বর্তমান সময় সংসার চালানো তো দূরে থাক কোন রকম পেটে ভাত ও চলা কষ্টকর।
কিন্তুু ঝাড়ুদার মন্জু তার অবৈধ কর্মকাণ্ড করে দলিল লেখকদের জিম্মি করে প্রতিদিন হাতিয়ে নিচ্ছেন লাখ লাখ টাকা। আর সেই টাকা দিয়ে উওরা ১০ নং সেক্টরে গড়ে তুলেছেন ৬ তলা বিশিষ্ট্য আলিশান বাড়ি এবং উওরায় আরও রয়েছে নামে বেনাম ২ টি খালি প্লট এবং মুক্তাগাছা ময়মনসিংহে রয়েছে নামে বেনামে বিলাসবহুল বাড়ি, চাষী জমি সহ আর ও অবৈধ সম্পদের পাহাড় যা গড়ে তুলেছেন মাত্র ১৬ বছর কর্ম জীবনে ঝাড়ুদার মঞ্জু।
সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে একজন নকল নবীশ প্রতিদিন দলিল রেজিস্ট্রি হওয়ার পরে সেই দলিলের নকল লেখাই হচ্ছে লকল নবীশের কাজ। কিন্তুু উওরা সাব রেজিস্ট্রি অফিসে সরে জমিনে দেখা গেলো তার ভিন্ন রূপ।
নকল নবীশ সাহেদ এক পৃষ্ঠা নকল না লেখে উল্টো প্রতিদিন নকলের ফিস নিতে দেখা যায় নকল নবীশ সাহেদকে এর আসল রহস্য হচ্ছে ঝাড়ুদার মঞ্জু দল ভারী করার জন্য নকল নবীশ সাহেদকে তার সঙ্গী হিসেবে নিয়ে সাহেদকে নকলের ফিস নেওয়ার দায়িত্ব দেন ঝাড়ুদার মঞ্জু তার রয়েছে ঢাকা মেট্রো-গ-২৮-২৯৩২ নাম্বারের একটি বিলাসবহুল গাড়ি। পরবর্তীতে স্বৈরাচার সরকার আওয়ামী লীগের পতন হলেও নকলের ফিসের চেয়ার থেকে সরানো হয়নি নকল নবীশ সাহেদকে, তার মূল কারন হচ্ছে সাহেদ আর মঞ্জু সিন্ডিকেটে চলে গোটা উওরা সাব রেজিস্ট্রি অফিস। এবং তাদের আঙ্গুলের ইশারায় চলে দলিল রেজিস্ট্রি, নকলের ফিস প্রতি নকলের পৃষ্ঠা থেকে সরকার সাধারণ জনগনের কাছ থেকে নেন ৪০ টাকা করে কিন্তুু এই সিন্ডিকেটের কারনে সাধারণ জনগনকে গুনতে হচ্ছে মোটা অংকের টাকা অর্থাৎ ঘুষ। সাহেদ শুধু নকলের ফিস নেন না সেই সাথে নকল উঠানো নকলের পৃষ্ঠা ছিড়ে ফেলার মত অবৈধ কর্মকাণ্ড করে থাকেন এই নকল নবীশ সাহেদ, বর্তমানে একজন নকল নবীশের মাসিক আয় ৮ হাজার থেকে ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত যা বর্তমানে কোন রকম জীবন চলার মত। কিন্তু এই অল্প টাকায় কিভাবে গড়ে তুলেন কোটি টাকার সম্পদ, নারায়ণগঞ্জ-রূপগঞ্জে নকল নবীশ সাহেদের রয়েছে নামে বেনামে অবৈধ সম্পদের পাহাড় যা সম্পূর্ণ দুদুকের চোখের আড়ালে। বাস্তব জীবনে সে সংসার গড়ে না তুললেও গড়ে তুলেছেন কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের পাহাড়, তার বিরুদ্ধে দুদক, আইন মন্ত্রণালয় ও লিগ্যাল এইড (বা কোনো নির্দিষ্ট অধিদপ্তরের/পুলিশ) অধিদপ্তরে অভিযোগের পাহাড় জমা হলেও একটিও আলোর মুখ দেখেনি।
