রিয়াজ উদ্দিন, কক্সবাজার : কক্সবাজার সদর উপজেলায় আধুনিক ও সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং গৃহীত কার্যক্রমের অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানোর জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে জারি করা এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। চিঠিতে কক্সবাজার-৩ (সদর-ঈদগাঁও) আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজলের আধা-সরকারি পত্রের সূত্র উল্লেখ করা হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, সংসদীয় আসন-২৯৬ কক্সবাজার-৩-এর নির্বাচনী এলাকার সদর উপজেলায় আধুনিক ও সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করা হয়। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় সরকার বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে গৃহীত কার্যক্রমের অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানোর জন্যও অনুরোধ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য চিঠিটি পাঠানো হয়েছে বলে এতে উল্লেখ করা হয়।
চিঠির অনুলিপি প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী এবং অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
প্রস্তাবিত প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে কক্সবাজার সদর উপজেলার বর্জ্য সংগ্রহ, পরিবহন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও চূড়ান্ত ব্যবস্থাপনায় আধুনিক পদ্ধতি চালুর সুযোগ তৈরি হতে পারে। এতে পরিবেশ সুরক্ষা, জনস্বাস্থ্য এবং পরিচ্ছন্ন নগর ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চিঠিতে প্রকল্পটির সম্ভাব্য ব্যয়, বাস্তবায়নকাল, অর্থায়নের ধরন ও নির্দিষ্ট বাস্তবায়ন কাঠামোর বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে এসব বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
কক্সবাজার দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটনকেন্দ্র হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই আধুনিক ও টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তার কথা বলে আসছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রস্তাবিত প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সদর উপজেলায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় একটি সমন্বিত ও আধুনিক কাঠামো গড়ে ওঠার সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
