কক্সবাজার থেকে এইচ এন আলম : কক্সবাজারে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২৫ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ। এ সময় আরও ১৭ জন কিশোর গ্যাং সদস্যকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
পুলিশের তথ্যমতে, ৫ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টা থেকে ৬ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা পর্যন্ত কক্সবাজার পৌরসভা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আটকৃত ২৫ জনের মধ্যে ৪ জন চোর-ছিনতাইকারী, ৭ জন মাদকসেবী, ৭ জন ধর্তব্য অপরাধের আসামি,৬ জন ওয়ারেন্টভুক্ত এবং ১ জন নিয়মিত মামলার আসামি রয়েছেন।
ছিনতাইকারী হিসেবে আটকৃতরা হলেন—কক্সবাজার পৌরসভার বাহারছড়া এলাকার মো. আরিফুল ইসলাম ওরফে আরিফ (৩২), দক্ষিণ রুমালিয়ারছড়ার কায়সার আলম রিয়াদ (২৩), সমিতিপাড়ার মো. তৌহিদুল ইসলাম (২৬) এবং মহেশখালীর কুতুবজোমের বাসিন্দা ও বর্তমানে সমিতিপাড়ায় বসবাসকারী লোকমান হাকিম ওরফে হাকিম (৩৫)।
রামুর চাকমারকুলের রুবেল (৩৬), বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির আরিফা আক্তার (১৮), কক্সবাজার পৌরসভার পশ্চিম বাহারছড়ার মুজিবুর রহমান (৩২), খুরুশকুলের মো. রাশেদ (১৯), উখিয়ার মো. হারুন আর রশিদ (৩০), চট্টগ্রামের মনির হোসেন সায়েম (৩৫) এবং উখিয়ার আপেল মাহমুদ (২৭)।
নাইক্ষ্যংছড়ির কুলসুমা (২২), জামালপুরের মো. রিয়াদ বাবু (২৭), আল মাহিন (১৯), সরোয়ার শাহিল (২৬), মহেশখালীর মো. ইমন (২০), কক্সবাজারের রাকিবুল হাসান (২৩) ও মো. হাসেম (৩২)।
. মফিজুর রহমান (৩২), মো. ইমরান, মোজাম্মেল হক, মো. তৌহিদুল ইসলাম (২০), মো. সাদেক হোসেন খোকা (৪৮) ও মনির আহমদ লিটন।
এ ছাড়া নিয়মিত মামলায় মো. আরিফুল ইসলাম ওরফে আরিফ (৩২) গ্রেপ্তার হয়েছেন।পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে আরিফুল ইসলাম ওরফে আরিফের বিরুদ্ধে অস্ত্র, ছিনতাই, অপহরণ, মারধর, মাদকসহ বিভিন্ন ধারায় একাধিক মামলা রয়েছে। কায়সার আলম রিয়াদের বিরুদ্ধেও ডাকাতির প্রস্তুতি, চুরি ও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রয়েছে। তৌহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে এবং লোকমান হাকিমের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা রয়েছে।
অভিযানের পাশাপাশি এলাকায় কিশোর গ্যাংবিরোধী কার্যক্রমও চালানো হয়। এ সময় ১৭ জন কিশোর গ্যাং সদস্যকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সদর মডেল থানা পুলিশ।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
