শুক্রবার | অক্টোবর ২৩, ২০২৬
প্রচ্ছদ সারাদেশচট্টগ্রাম চট্টগ্রামে অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বড়ুয়ার দুই গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

চট্টগ্রামে অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বড়ুয়ার দুই গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

চট্টগ্রাম থেকে সেলিম চৌধুরী: চট্টগ্রামে বিশিষ্ট জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, লেখক, গবেষক এবং ইউএসটিসির সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ডা. প্রভাত চন্দ্র বড়ুয়ার রচিত ‘স্বাস্থ্য সুরক্ষার চাবিকাঠি’ ও ‘জ্যোতির্ময়: বৌদ্ধ শিক্ষকদের ইতিকথা’ শীর্ষক দুটি গ্রন্থের পাঠ উন্মোচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে নগরীর চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের জুলাই বিপ্লব স্মৃতি হলে অনোমা সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী, চট্টগ্রামের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ বৌদ্ধ ভিক্ষু মহাসভার সংঘনায়ক অধ্যাপক ভদন্ত বনশ্রী মহাথেরো প্রধান উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানটির আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন। বাংলাদেশ বৌদ্ধ একাডেমির পরিচালক প্রফেসর তুষার কান্তি বড়ুয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কমনওয়েলথ জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি জেনারেল ওসমান গনি মনসুর। অনোমা সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী চট্টগ্রামের মহাসচিব তুষার কান্তি বড়ুয়া স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে আমন্ত্রিত অতিথিদের স্বাগত জানান।অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন ছায়ানীড়ের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান, প্রখ্যাত শিশুস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও সাহিত্যিক প্রফেসর ডা. প্রণব কুমার চৌধুরী, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডেন্টাল ইউনিটের প্রধান ও বাংলাদেশ ডেন্টাল সোসাইটি চট্টগ্রামের সভাপতি প্রফেসর ডা. মনোজ বড়ুয়া, কবি ও নাট্যজন অধ্যাপক সনজীব বড়ুয়া, প্রকৌশলী মৃগাংক প্রসাদ বড়ুয়া, সমীরণ বড়ুয়া, সাংবাদিক সমীর কান্তি বড়ুয়া এবং বিসিসিইউএল-এর চেয়ারম্যান শাসনরক্ষিত মহাস্থবির প্রমুখ। পুরো অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন হৈমন্তী বড়ুয়া ইমু ও প্রান্ত বড়ুয়া।
আলোচনা সভায় বক্তারা ডা. প্রভাত চন্দ্র বড়ুয়ার লেখনী ও গবেষণার ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, ‘জ্যোতির্ময়: বৌদ্ধ শিক্ষকদের ইতিহাস’ গ্রন্থে লেখকের গভীর চিন্তাবোধ, অনুসন্ধিৎসা ও আত্মসমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গির অনন্য পরিচয় পাওয়া যায়। সমাজ বিনির্মাণ ও শিক্ষাদর্শনে বৌদ্ধ শিক্ষকদের যে অসামান্য অবদান, জীবনসংগ্রাম ও সামাজিক ভূমিকা রয়েছে—তা ইতিহাসের পাতায় এতদিন যথাযথভাবে সংরক্ষিত হয়নি। লেখক কেবল অতীতকে জানার আগ্রহ থেকেই এই গ্রন্থ রচনা করেননি, বরং ইতিহাসের উপেক্ষিত অধ্যায়কে আলোর মুখ দেখাতে এক আন্তরিক দায়বদ্ধতা থেকে এই কাজ করেছেন। বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, সমাজ গঠনে গুণীজনদের অবদান ও জীবনগাথা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য ডা. প্রভাত চন্দ্র বড়ুয়া যে অনবদ্য প্রয়াস সৃষ্টি করেছেন, তা সত্যিই অনুকরণীয় ও অনুসরণীয়।

সোস্যাল মিডিয়াতে দৈনিক জনতা